বিজ্ঞাপন

মসজিদের সামনে মাদক সেবন: মোহনগঞ্জে ৪ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাদক সেবন ও সংরক্ষণের অপরাধে চার যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিজ্ঞাপন

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. শমল মিয়া (২২) মোহনগঞ্জ থানার নওহা গ্রামের মৃত আশব আলীর ছেলে। তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জাহেদুল ইসলাম জুয়েল (৩৩) মোহনগঞ্জ থানার পশ্চিম টেংগাপাড়া গ্রামের মৃত মনু মিয়ার ছেলে। তাকে ১৫ (পনেরো) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অনয় রায় (২০) ধর্মপাশা থানার শেখবাড়ী এলাকার অর্জুন রায়ের ছেলে। তাকে পনেরো দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মো. ফারুক মিয়া (৩৫) ধর্মপাশা থানার খুরশিমুল গ্রামের মহর উদ্দিনের ছেলে। তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে নেত্রকোনা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এরআগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোহনগঞ্জ থানাধীন নওহা জামে মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নেত্রকোনা জেলা কার্যালয়ের একটি আভিযানিক দল মোহনগঞ্জ উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে মোহনগঞ্জ থানাধীন নওহা জামে মসজিদের সামনে থেকে মাদকদ্রব্য সেবন ও সংরক্ষণের সময় চারজনকে হাতেনাতে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মোহনগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম এ কাদের। তিনি অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করেন এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রত্যেককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত চার আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নেত্রকোনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলাব্যাপী এ ধরনের নিয়মিত অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পড়ুন : সাগরে সীমানা ঘেঁষে গ্যাস তুলছে মিয়ানমার, বাংলাদেশের নেই কোন উদ্যোগ

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন