ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসের সামনে দোকানে ঢুকে চাঞ্চল্যকর রাব্বী হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুল খালেককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪। ঘটনার ৮ ঘন্টা পর ঐদিন রাতেই তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ সদর উপজেলার রঘুরামপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আব্দুল খালেক ঐ এলাকার ফজলুল হকের ছেলে। শুক্রবার সকালে র্যাব-১৪ এর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব- ১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. শামসুজ্জামান।
র্যাব জানায়, মূলত র্যাবের দাবি, চাঁদাবাজি ও পূর্বশত্রুতার জেরেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি আব্দুল খালেক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত প্রধান অভিযুক্ত আবদুল খালেক সাংবাদিকদের সামনে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, রাব্বি এলাকায় চাঁদাবাজি করত। “আমার বাবাকে রাব্বিসহ ১০/১৫ জন মিলে কুপিয়েছিল। তখন থেকেই আমাদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। সেই ঘটনার জেরেই আমরা দুই ভাই মিলে রাব্বিকে কুপিয়েছি।”
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস রোডে দোকানে ঢুকে দেশিয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাব্বীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হামলায় গুরুতর আহত হন নিহতের ভাই রিয়াদও। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক রাব্বীকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত রাব্বির বাবা মোবারক হোসেন ভুট্টু বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জনকে আসামী করে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

