বিজ্ঞাপন

কালিয়াকৈরে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় শিশুটির মা সালমা বেগম মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে কালিয়াকৈর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মৌচাক থানাধীন জামতলা এলাকার মাদরাসা জামালুল কুরআন-এর নূরানী বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ওই শিশুটি।

অভিযুক্ত আবু বকর (২৬) ওই মাদ্রাসার শিক্ষক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, মাদ্রাসায় প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে মাগরিবের আজান পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া হয়। গত ১৭ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে খেলাধুলার সময় অভিযুক্ত শিক্ষক আবু বকর শিশুটিকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে সঙ্গে নিয়ে যান।

পরে তাকে কালিয়াকৈর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার টাটুয়ার মার্কেটের পাশে ফজল নামের এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে আশপাশে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত শিশুটির পোশাক খুলে বলাৎকারের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় শিশুটি বাধা দিলে তার মুখ চেপে ধরারও অভিযোগ রয়েছে।

একপর্যায়ে শিশুটি ডাক-চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে অভিযুক্তকে আটক করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে খবর পেয়ে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। অভিযোগে আরও বলা হয়, মাদ্রাসার বড় হুজুর জিয়াসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে সেখান থেকে নিয়ে যান।

ঘটনার বিস্তারিত জানার পর পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে মঙ্গলবার সকালে কালিয়াকৈর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগকারী সালমা বেগম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বকর কিংবা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পড়ুন:দানবাক্সে কোটি টাকা, সঙ্গে সোনা-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন