বিজ্ঞাপন

মিরসরাইয়ে বিএসআরএমের চালান থেকে চুরি হওয়া ১২ টন রড উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিএসআরএমের চালান থেকে চুরি হওয়া ১২ টন ১০০ কেজি লোহার রড উদ্ধার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই ঘটনায় রড পরিবহনে ব্যবহৃত চুরি যাওয়া ট্রাকটিও ফরিদপুরের মধুখালী থেকে খালি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে জোরারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—মিরসরাইয়ের করেরহাট ইউনিয়নের অলিনগর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. রিয়াদ হোসেন, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি থানার হাফিজ মোল্লার ছেলে ট্রাকের হেলপার মো. হাদিছ মোল্লা এবং নওগাঁর মোহাম্মদপুর থানার মৃত কাঞ্চন শেখের ছেলে আবুল বাশার ওরফে বাঁশি।

পুলিশের তথ্যমতে, গত ১৪ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে জোরারগঞ্জে বিএসআরএম কারখানা থেকে বিভিন্ন আকারের ১৩ টন রড একটি ট্রাকে করে সুনামগঞ্জে পাঠানো হচ্ছিল। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই চালানটি চুরি হয়ে যায়।

ঘটনার পর চুরি যাওয়া রড ও ট্রাক উদ্ধারে অভিযান শুরু করে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে নওগাঁর মহম্মদপুর বাজারে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ‘আয়ান এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি দোকান থেকে উদ্ধার করা হয় ১২ টন ১০০ কেজি রড।

পরে ফরিদপুরের মধুখালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ট্রাকটিও খালি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ওসি আব্দুল হালিম জানান, চুরির ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না এবং বাকি রডের বিষয়ে তথ্য জানতে গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।

গ্রেপ্তার রিয়াদ হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য দুই আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে। উদ্ধার হওয়া রড ও ট্রাক পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : অনলাইনে ইলিশ মাছ বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা: সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন