বিজ্ঞাপন

কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ: সহযোগী গ্রেফতার, ভুক্তভোগী উদ্ধার

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তাকারী জনিকে (২০) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৪)। একই সঙ্গে অপহৃত ওই তরুণীকেও রাজধানী থেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (২৩ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টার দিকে র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়কের পক্ষে মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার ও র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন প্রধান আসামি রনি (২২) ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। মেয়েটি নাবালিকা হওয়ায় তার পরিবার রনির দেওয়া বিয়ের প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রনি ও তার সহযোগীরা মেয়েটিকে অপহরণের ছক কষে। গত ২০ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেয়েটি কোচিংয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে আসামিরা তাকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে প্রধান আসামি রনি ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে র‍্যাব-১৪ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল (২২ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে র‍্যাব-১৪ (সদর কোম্পানি, ময়মনসিংহ) এবং র‍্যাব-১ (সদর কোম্পানি, উত্তরা, ঢাকা) এর যৌথ আভিযানিক দল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

এ অভিযানে অপহরণ ও ধর্ষণে সহায়তাকারী জনিকে (২০) গ্রেফতার করা হয় এবং অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব। গ্রেফতারকৃত জনির বাড়ি নেত্রকোনা জেলায়।

র‍্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত জনির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রধান আসামিসহ জড়িত অন্যদের গ্রেফতারেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পড়ুন: ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডারে মাদকবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন