দিনাজপুরে ড্রইং স্কুলে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সনদ বিতরণ

শিল্পচর্চার ইতিবাচক ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে ড্রইং স্কুল প্রান্তিক পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম হাবিবুল হাসান।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, “চিত্র ও শিল্পচর্চায় বাঙালীর সংস্কৃতির একটি ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে ড্রইং স্কুল দিনাজপুর শিশু শিক্ষার্থীদের চিত্রকলায় সহযোগিতা করে যাচ্ছে।”

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী পাটুয়াপাড়া এনায়েতপুর মহল্লায় প্রতিষ্ঠিত মানবিক প্রতিষ্ঠান ড্রইং স্কুল দিনাজপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র ও ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড্রইং স্কুল দিনাজপুরের নির্বাহী পরিচালক নাজমুস সাকেব রানা স্বাগত বক্তব্যে বলেন, “এই চিত্রাংকন প্রতিযোগিতাটি পেট্রা প্রোডাক্ট বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ প্রতিযোগিতায় অভিভাবকসহ বয়ভিত্তিক ৫টি গ্রুপে শতাধিক শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে।”

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিশেষ করে মা ও ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে ছবি আঁকার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রুপ থেকে পাঁচজন করে শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শহর সমাজসেবা অফিসার ও ড্রইং স্কুলের নির্বাহী সদস্য মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, “ড্রইং স্কুল দিনাজপুর চিত্রকলা চর্চার একটি কারখানা বলে আমার মনে হয়। এখান থেকে চিত্রাংকন শিখে অনেক ক্ষুদে শিক্ষার্থী নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।”

অনুষ্ঠানে পেট্রা প্রোডাক্ট বাংলাদেশ-এর এরিয়া ম্যানেজার মো. মহররম এবং প্রোডাক্ট প্রমোশন অফিসার নাহীদা আক্তার বুবলী উপস্থিত ছিলেন। সনদপত্র বিতরণ করেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংগঠক আব্দুস সামাদ।

পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্কুলের অর্থ সম্পাদক আফরোজা পারভিন ঝুমা।

পড়ুন: জ্বালানি নিরাপত্তায় বহুমুখী উৎস খুঁজছে সরকার: শামা ওবায়েদ

আর/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন