রাজশাহীর চারঘাটে ইসলাম ধর্ম ও মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ধর্মীয় বিষয়ে ফেসবুক কটুক্তি। অভিযুক্ত শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র (৫০) পুলিশের হাতে আটক।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
ওই উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের হাবিবপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের মৃত অবিনাশ চন্দ্রের ছেলে। তিনি ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্ম বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসাবে কমর্রত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দেওয়া তথ্যমতে জানা যায় , শিক্ষক তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন সময়ে ইসলাম ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগ রয়েছে।
ওই ফটোকার্ডে মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করা হয়। এতে মাদ্রাসাকে নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর বক্তব্যও ছিল। ফটোকার্ডটির নিচে ‘মহিউদ্দিন মোহাম্মদ’ নামে একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার রাতে ইসলাম ধর্ম ও মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে কটূক্তিপূর্ণ বক্তব্য সম্বলিত একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেন তিনি। তার ফেসবুক পোস্ট স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বুধবার সকালে বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই শিক্ষকের খোঁজ করেন স্থানীয়রা।
ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে গেলে আশ্রয় নেই। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এই খবর পেয়ে চারঘাট মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ ও সঙ্গীও পোর্স নিয়ে পুলিশ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবিয়া খাতুন বলেন, ‘এর আগেও নারায়ণ চন্দ্র ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট করেছিলেন। স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে তাঁকে বিষয়টি বুঝিয়ে এ ধরনের পোস্ট না করার জন্য বলা হয়েছিল। এরপরও তিনি গতকাল আবার পোস্ট করেছেন। স্থানীয়রা তাঁকে অবরুদ্ধ করে ফেললে আমরা পুলিশকে খবর দিই। পরে পুলিশ এসে তাঁকে নিয়ে যায়।’ তিনি জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে নারায়ণ চন্দ্র ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।
চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পড়ুন : ডাক্তারের গাফিলতি ও জোরপূর্বক ইনজেকশন পুশ করায় মৃত্যু হয় রফিকের


