বিজ্ঞাপন

‘শিক্ষার অধিকার ফিরে চাই’ ব্যানারে নিষিদ্ধ ঘোষিত জবি ছাত্রলীগের মিছিল

বিজ্ঞাপন

‘শিক্ষার অধিকার ফিরে চাই’ ব্যানারে মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ক্যাম্পাসে সব মতের শিক্ষার্থীর সহাবস্থান নিশ্চিত ও সরকারি চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগপ্রক্রিয়া বজায় রাখার দাবিতে এ মিছিল করেন তারা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে ব্যবহৃত পোস্টারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ছবি দেখা যায়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘রাজনীতি যার যার, শিক্ষা সবার’, ‘শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়া চলবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান।

সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক ক্ষমতার মোহে নয়, বরং একজন স্বাধীন দেশের নাগরিকের মৌলিক অধিকার শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে দাড়িয়েছি। রাজনৈতিক আদর্শে ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু একজন মানুষের শিক্ষা অর্জনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।’

তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শিক্ষাজীবন থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মবের সংস্কৃতি’ দূর করে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব মতের শিক্ষার্থীর জন্য ক্যাম্পাসে সহাবস্থান ও পড়াশোনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা করছি। নিয়োগ ব্যবস্থায় মেধার ভিত্তিতে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবি জানাই।

মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না, আমরা চাই আমাদের ন্যায্য অধিকার। ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আপসহীন অবস্থানের কারণে আজ আমাদের অনেকের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। পরীক্ষা দেওয়া, শিক্ষা সম্পন্ন করা ও সার্টিফিকেট পাওয়ার অধিকার কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, এগুলো একজন শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকার। রাজনীতি যার যার, শিক্ষা সবার। শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়া চলবে না। আমরা করুণা চাই না, আমরা আমাদের অধিকার ফিরে চাই।’

পড়ুন : জেলা যুবদলের নেতৃত্বে তপন খানকে চান তৃণমূল

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন