ইয়ামালের জোড়া গোলে বার্সেলোনার জয়

স্কোরলাইন দেখে জয়টা সহজ মনে হলেও লেভান্তের মাঠে বার্সেলোনাকে কঠিন পরীক্ষাই দিতে হয়েছে। একাধিকবার প্রতিপক্ষের চাপে পড়েও শেষ পর্যন্ত লামিন ইয়ামালের জোড়া গোল ও কারিম আদেইয়েমির শেষ মুহূর্তের গোলে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে হান্সি ফ্লিকের দল।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) লা লিগার ম্যাচে লেভান্তের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বার্সেলোনা। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় অতিথিরা। রাফিনিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে শট নেন তরুণ লেফট-ব্যাক শাভি এস্পার্ত। লেভান্তের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে বলের গতিপথ বদলে জালে জড়ায়। পেশাদার ফুটবলে এটিই এস্পার্তের প্রথম গোল।

১৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লামিন ইয়ামাল। রাফিনিয়ার কাটব্যাক থেকে কাছ থেকে বল জালে পাঠান স্পেনের এই তরুণ ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি ইয়ামালের ষষ্ঠ গোল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরও একবার লেভান্তের জালে বল পাঠায় বার্সেলোনা। ৪৮তম মিনিটে ইয়ামালকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় অতিথিরা। স্পট কিক থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এতে চলতি মৌসুমে ইয়ামালের গোলসংখ্যা দাঁড়ায় সাতটিতে।

তবে তিন গোল পিছিয়ে থেকেও ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি লেভান্তে। ৭৯তম মিনিটে বার্সেলোনার রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে ব্যবধান কমান রজার ব্রুগেই। এরপর ৮৮তম মিনিটে আবারও গোল করে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন তিনি। দুই ডিফেন্ডারের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে শট নেন ব্রুগেই। বার্সা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া প্রথম প্রচেষ্টা ঠেকালেও ফিরতি বলে গোল করতে ভুল করেননি লেভান্তের এই ফরোয়ার্ড।

শেষদিকে স্বাগতিকদের আক্রমণের চাপে পড়ে যায় বার্সেলোনা। তবে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে স্বস্তি ফেরান কারিম আদেইয়েমি। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একাধিক প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে কাছের পোস্ট দিয়ে জালে বল পাঠান তিনি।

এই জয়ে লা লিগায় টানা পাঁচ ম্যাচে পাঁচ জয় পেল বার্সেলোনা। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে রয়েছে ফ্লিকের দল। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৩ নম্বরে আছে লেভান্তে।

পড়ুন : ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন