জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের ৬ দফা এখন ৮ দফায় পরিনত হয়েছে। জনগণের প্রয়োজনে দফা বাড়তে পারে। আবার জনগণের প্রয়োজনে সকল দফা বিলুপ্ত ঘোষণা করে এক দফা ঘোষণা করার প্রয়োজত হতে পারে। আপনার প্রস্তত আছেন। আজকের লংমার্চ আপনাদের দিকে। আগামীর লংমার্চ এখান থেকে ঢাকার দিকে। প্রস্তত থাকবেন ইনশাল্লাহ। মা বোনরা যখন নেমে এসেছেন দাবি তখন আদায় হবে ইনশাল্লাহ
শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকা-রংপুর লংমার্চের টাঙ্গাইলের নগর জলফৈ বাইপাসের পথসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, কেনো আপনারা জুলাই সদন বাস্তবায়ন করলেন না। আপনারা কথা দিয়েছিলেন কোন জায়গায় অনির্বাচিত কাউকে দেশ শাসন করতে দেয়া হবে না। জায়জায় জায়গায় আপনারা প্রশাসক বসিয়েছেন। আপনারা জাতির সাথে প্রতারণা করেছেন।
তিনি বলেন, এই জাতি আপনাদের কাছে এই কার্ড সেই কার্ড এগুলো চায়নি। এই কার্ডগুলো কথা আপনারা জাতীকে বলেছিলেন দিবে। জাতি যা চেয়েছিলো আপনারা দিতে পারছেন না, ব্যর্থ হচ্ছেন। আমরা নেমেছি এসব অধিকার আদায়ের জন্য। লড়াই হবে সকল দু:শাসনের বিরুদ্ধে ইনশাল্লাহ। সেই লড়াইয়ে জনতার বিজয় হবে।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের সামনে কঠিন সংগ্রাম, সরকার জনগণের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করছে। আমরা টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানীর উত্তরসূরী ; আমাদের দিল্লির আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।
কর্নেল ড. অলি আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি যে আওয়ামী লীগের দ্বারা সরকার, প্রশাসন চালাচ্ছেন, এভাবে দেশ চালাতে পারবেন না। আমাদেরকে একদফা আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিবেন না।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেন, আজকের এই লং মার্চ প্রমান করছে বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার আদায় করতে জানে। সোজা আঙুলে ঘি না ওঠলে আঙুল বাঁকা করতে জানে জনগণ।
টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারোয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমীর আল্লামা মুফতি মোখলেসুর রহমান কাসেমী, কর্নেল ড. অলি আহমদের ছেলে ওমর ফারুক, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিলাল হোসাইন মিয়াজি, এনসিপির সরোয়ার তুষার বলেন প্রমুখ।
এসময় ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন:গাজীপুরে রক্ষক যখন ভক্ষক, চন্দ্রা বনবিটে সংরক্ষিত বনভূমি কতটা নিরাপদ
ইমি/


