বিজ্ঞাপন

বালিপাড়া বাজারে ডিসিআর ফি কমানোর দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

বিজ্ঞাপন

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া বাজারে বার্ষিক ডিসিআর ফি কমানোর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বালিপাড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, একসময় বালিপাড়া বাজারের ব্যবসায়ীদের বার্ষিক ডিসিআর ফি ছিল মাত্র ২৬০ টাকা। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কোনো ধরনের যৌক্তিক ব্যাখ্যা ছাড়াই সেই ফি একলাফে বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। এতে স্বল্প আয়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলেন, “২৬০ টাকা থেকে কীভাবে ডিসিআর ফি ৬ হাজার টাকায় উন্নীত হলো এটি আমাদের মতো সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয়। বাজারে যারা ব্যবসা করেন, তাদের অধিকাংশই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। কেউ চায়ের দোকান চালান, কেউ পেঁয়াজ-শাকসবজি বিক্রি করেন। অনেকেই প্রতিদিনের আয় দিয়ে সংসার চালান। তাদের পক্ষে এককালীন ৬ হাজার টাকা ডিসিআর ফি দেওয়া অত্যন্ত কঠিন।”

বক্তারা আরও বলেন, বৈষম্য দূর করে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় দেশের মানুষ বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। কিন্তু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত তাদের কাছে নতুন করে বৈষম্যের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

তাদের ভাষ্য, “আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না। আমরা চাই বাস্তবতা বিবেচনা করে ডিসিআর ফি সহনীয় পর্যায়ে নির্ধারণ করা হোক। ছোট ব্যবসায়ীদের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে এত বেশি ফি নির্ধারণ করা হলে অনেক ব্যবসায়ী বাজার ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।”

মানববন্ধন থেকে ব্যবসায়ীরা বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনার দাবি জানান। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করে তারা বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে পূর্বের তুলনায় সহনীয় পর্যায়ে ডিসিআর ফি পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত ডিসিআর ফি কমিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়ার দাবি জানান।

পড়ুন : রাজধানীর মিরপুরে ও বাড্ডায় বাসে আগুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন