কুষ্টিয়ার পাটিকাবাড়ী পুলিশ ক্যাম্পে রাতের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ১০ পুলিশ সদস্য। পরে তাঁদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন ক্যাম্প ইনচার্জ মনিরুজ্জামান, এএসআই শরিফুল ইসলাম এবং পুলিশ সদস্য আমিরুল, মুকতার, আমিন, আমিনুল, কামরুল, নজরুল, রেজাউল ও মনিরুল।
গতকাল শনিবার রাতে সদর উপজেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার পাটিকাবাড়ী পুলিশ ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। আজ রবিবার সকালে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ক্যাম্পে রান্নার দায়িত্বে থাকা ছালেহা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, শনিবার রাতে ক্যাম্পে খাবার খাওয়ার পর একে একে পুলিশ সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হলে সহকর্মীরা তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ক্যাম্পে রান্নার দায়িত্বে থাকা ছালেহা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি পাটিকাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এবং মহির উদ্দিনের স্ত্রী। ছালেহা খাতুন প্রায় দুই বছর ধরে পাটিকাবাড়ী পুলিশ ক্যাম্পে রান্নার কাজ করে আসছিলেন।
তবে খাবারে কী কারণে পুলিশ সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। খাবারে কোনো ক্ষতিকর উপাদান মেশানো হয়েছিল কি না, নাকি অন্য কোনো কারণে এ ঘটনা ঘটেছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ক্যাম্পে রান্নার দায়িত্বে থাকা ছালেহা খাতুনকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) ফয়সাল মাহমুদ জানান, কী কারণে পুলিশ সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। খাবারে কোনো ক্ষতিকর উপাদান মেশানো হয়েছিল কি না, নাকি অন্য কোনো কারণে এ ঘটনা ঘটেছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আকুল উদ্দিন জানান, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা এখন আশংকামুক্ত। তারা কী কারনে অচেতন হয়ে পড়েছেন, তা নিশ্চিত হতে পুলিশ সদস্যদের রক্তের নমুনা নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা পরীক্ষা করছেন। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।
পড়ুন:কালিয়াকৈরে হাফেজ আলীমের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
ইমি/


