গ্রাম আদালত কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা ও সক্রিয় করা গেলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ আদালতের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়।
তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করতে হবে। গ্রাম আদালত যত বেশি সক্রিয় হবে, সাধারণ মানুষের আস্থাও তত বাড়বে।”
বুধবার সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের মিনি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ-৩য় পর্যায়’ প্রকল্পের আওতায় জনসচেতনতা সৃষ্টি ও স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় বলেন, গ্রাম আদালত পরিচালনায় হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের বিভিন্ন রেজিস্টার সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত ফরম যথাযথভাবে পূরণ ও সংরক্ষণ করতে হবে। এসব কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা আরও বাড়বে।
তিনি বলেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিদর্শনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আরও সক্রিয় হতে হবে। গ্রাম আদালতকে কার্যকর ও গতিশীল করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাবলু সূত্রধর, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপায়ণ দেব, গাংনী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসিমা খাতুন, জেলা তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ মাসুদ, পিএফএ সাহাজুল ইসলামসহ উপজেলা সমন্বয়কারীরা।
সভায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্থানীয় অংশীজনদের সম্পৃক্ততা এবং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় মূল প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন জেলা ব্যবস্থাপক মো. আসাদুজ্জামান।
পড়ুন : ১৮০ দিনে বিচার শেষ না হলেও নারী-শিশু মামলা বাতিল হবে না: হাইকোর্ট
সা/


