বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‎চট্টগ্রামে সাজেদা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বিতরণ ৫০ হাজার চারা

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সাজেদা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬-এর আওতায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ৫০ হাজার গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎এর অংশ হিসেবে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সাতকানিয়ার কেরানিহাট শাখায় সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
‎কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢেমশা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তাহের। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৮ নম্বর ঢেমশা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নেয়াজুর রহমান।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাজেদা ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (সূচনা) আবু রাশেদ, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (বিবর্তন) বিপ্লব চন্দ্র দাশ, সমন্বয়ক (কৃষি ইউনিট) নওরিন আক্তার, সিনিয়র এলাকা ব্যবস্থাপক দেব কুসুম বড়ুয়া ও এলাকা ব্যবস্থাপক কাজল কুমার কুন্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

‎সাজেদা ফাউন্ডেশন জানায়, সরকারের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সারাদেশে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৪টি রিজিয়নের ২৩৬টি শাখার মাধ্যমে প্রায় ১৫ হাজার সদস্যের মাঝে ১ লাখ ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার চারা বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। উপকারভোগীদের মধ্যে নারী সদস্যের সংখ্যাই বেশি। ‎কর্মসূচির আওতায় একজন সদস্যকে প্রয়োজন ও সক্ষমতা অনুযায়ী ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১৫টি পর্যন্ত চারা দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তিনটি ফলজ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি গাছের চারা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

‎সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৫০ হাজার চারা বিতরণ করা হবে। এর মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি গ্রামীণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‎চারা বিতরণের পাশাপাশি রোপণের পর গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে সদস্যদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, বৃক্ষরোপণে জনসম্পৃক্ততা ও নারী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি দেশের সবুজায়নে অবদান রাখার প্রত্যাশা করছে সাজেদা ফাউন্ডেশন।

বিজ্ঞাপন

‎পড়ুন : সংবাদ প্রকাশের ১ ঘণ্টার মাথায় তড়িঘড়ি করে সরানো হলো বাংলোর আলোকসজ্জা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন