বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরকার ও ইসির সমন্বয়হীনতা, এ বছর হচ্ছে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন

এ বছরের নভেম্বর থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা ছিল নির্বাচন কমিশনের। সেই পরিকল্পনাই এখন বদলে গেল। কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে ইসির অবস্থানে এসেছে বড় পরিবর্তন—এ বছর আর স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে না, ভোট শুরু হতে পারে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। বার্ষিক পরীক্ষা, রমজান, ঈদ, পূজা ও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচিকে সামনে রেখে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কমিশন।

বিজ্ঞাপন

তবে নির্বাচনের সময় নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইসির অবস্থানের প্রশ্নও সামনে এসেছে। এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির সঙ্গে সরকারের কোনো আলোচনা হয়নি এবং ইসির সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কেও সরকার অবগত নয়। অন্যদিকে, ২৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, বাস্তবতা, আইন ও সংবিধান বিবেচনা করেই কমিশন নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করছে এবং সরকারের কোনো চাপে তারিখ পেছানো হয়নি।

ফলে প্রশ্ন উঠছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল কি না—নাকি পুরো বিষয়টিই ছিল সময় ও বাস্তবতা বিবেচনায় ইসির পরিকল্পনা পরিবর্তনের অংশ?

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, পাবলিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর যাতে নির্বাচন আয়োজন করা যায়, সে বিষয়টি বিবেচনা করছে কমিশন। বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় নভেম্বর ও ডিসেম্বরে নির্বাচন হচ্ছে না। তাঁর আশা, জানুয়ারি থেকেই নির্বাচন শুরু হবে।

নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এর আগে কমিশন একটি সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছিল। পরে দেখা যায়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এর পাশাপাশি বন্যার কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রম পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়ও রয়েছে।

তিনি বলেন, রমজান, ঈদ, পূজা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাসহ সব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই নির্বাচন আয়োজনের সময় ঠিক করার কথা ভাবছে কমিশন।

নির্বাচনের তারিখ পেছানোর পেছনে সরকারের কোনো চাপ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সরকারের কোনো চাপে নির্বাচন কমিশন তারিখ পেছায়নি। বাস্তবতা, আইন ও সংবিধানের বিষয়গুলো বিবেচনা করেই কমিশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে।

ভোটকেন্দ্র নিয়ে ইসিতে ২০০ অভিযোগ

ভোটকেন্দ্র কোথায় হবে—এ সিদ্ধান্ত ঘিরেই স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি হয়েছে নানা আপত্তি। কোনো এলাকায় পুরোনো কেন্দ্র ফিরিয়ে আনার দাবি, কোথাও নতুন নির্ধারিত কেন্দ্র সরানোর আবেদন। আবার নারী ও পুরুষ ভোটারদের জন্য আলাদা কেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েও আপত্তি এসেছে। সব মিলিয়ে স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে (ইসি) প্রায় ২০০ অভিযোগ ও আবেদন জমা পড়েছে।

বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার ভোটারদের পক্ষ থেকে আসা এসব আবেদনে কেন্দ্রের অবস্থান, যাতায়াতের সুবিধা, নিরাপত্তা, অবকাঠামো এবং ভোটারদের প্রভাবমুক্ত পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধ, নারী, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ ভোটারদের কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছানোর বিষয়টি একাধিক আবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটকেন্দ্রের বিষয়ে আবেদন আসছে। যৌক্তিকতা থাকলে আবেদন পুনির্বিবেচনা করা হবে।

নোয়াখালীতে ইউনিয়ন পরিষদের বদলে পাঠাগার, পরে মাদ্রাসার দাবি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। ২০২২ সালের সর্বশেষ ইউপি নির্বাচন এবং এর আগের নির্বাচনেও হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।

তবে এবার একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পরিবর্তে ধ্রুবতারা পাঠাগারকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরপর আরেকটি আবেদনে পাঠাগারটি বাদ দিয়ে ইউছুফ আলী তা’লীমুল কোরআন ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় কেন্দ্র করার দাবি জানানো হয়।

আবেদনকারীদের অভিযোগ, বর্তমানে নির্ধারিত পাঠাগারটি ব্যক্তিমালিকানাধীন। এর অবস্থান একটি চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে হওয়ায় ভোটের দিন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে পাঠাগারটির অবকাঠামোও পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি করা হয়েছে।

ভোটকেন্দ্র নিয়ে অভিযোগ করা মো. শাহ আজিম বলেন, ভোটকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তনের বিষয়ে আমাদের জানানো হয়েছে যে, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। তাই এমনটি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পাঠাগারটি ব্যক্তিমালিকানাধীন। আর এতে মাত্র একটি দরজা আছে। আর ভোটারদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গাও নেই। তাই এটি কীভাবে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে, সেটি বোধগম্য হচ্ছে না। সে কারণে আমরা বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছি। আগের মতো ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে ভোটকেন্দ্র করলেও আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

ময়মনসিংহে কেন্দ্র ইউনিয়নের প্রান্তে, পুরোনো মাদ্রাসা ফেরত চায় ভোটাররা

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা রাজাপুর ফাজিল মাদ্রাসাকে আবার ভোটকেন্দ্র করার আবেদন করেছেন।

তাদের ভাষ্য, পাঁচটি গ্রামের কেন্দ্রস্থলে থাকায় মাদ্রাসাটি ভোটারদের জন্য সহজে যাতায়াতযোগ্য। সেখানে ভোট গ্রহণের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও রয়েছে। অন্যদিকে বর্তমানে নির্ধারিত কয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ইউনিয়নের প্রান্তে অবস্থিত। স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়ির খুব কাছাকাছি হওয়ায় ওই কেন্দ্রে নিরাপত্তা নিয়েও আশঙ্কা রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চার গ্রামের ভোটারকে ৩-৪ কিলোমিটার হাঁটার অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকেও ভোটকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবি এসেছে।

আবেদনকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি গ্রামের মধ্যে চারটি গ্রামের ভোটারকে বর্তমান কেন্দ্রে পৌঁছাতে প্রায় তিন-চার কিলোমিটার হাঁটতে হয়। এই পরিস্থিতিতে চার গ্রামের মাঝামাঝি জায়গায় অবস্থিত হাজী জয়নাল চাকলাদার কাশেমুল উলুম রহমানিয়া মাদ্রাসায় ভোটকেন্দ্র করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দিনাজপুরে যোগাযোগ নিয়ে আপত্তি

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আংগারপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা পূর্ব ছাতিয়ানগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলে ছাতিয়ানগড়-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র চেয়েছেন।

তাদের বক্তব্য, বর্তমান কেন্দ্রটি অধিকাংশ ভোটারের জন্য দূরে হওয়ায় সেখানে পৌঁছানো কঠিন। যোগাযোগব্যবস্থাও অনুকূল নয়। ফলে বয়স্ক, নারী, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ ভোটারদের চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

গাইবান্ধায় পৃথক কেন্দ্রের পরিকল্পনায় আপত্তি

গাইবান্ধার বোনারপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে নারী ও পুরুষ ভোটারদের জন্য পৃথক কেন্দ্র করার পরিকল্পনা নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রস্তাবিত কেন্দ্রটি বর্তমান কেন্দ্র থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে। এর অবস্থান ইউনিয়নের সীমানার কাছাকাছি হওয়ায় ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তারা।

ভোলায় সড়কের কাছের পুরোনো কেন্দ্র ফেরত চাওয়া হয়েছে

ভোলার দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা ৩০ নম্বর চরদিদারুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আবার ভোটকেন্দ্র করার আবেদন জানিয়েছেন।

তাদের যুক্তি, বিদ্যালয়টি প্রধান সড়কের পাশে হওয়ায় যাতায়াত সহজ। বিপরীতে বর্তমানে নির্ধারিত কেন্দ্রটি প্রধান সড়ক থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে। এতে বয়স্ক, নারী, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ ভোটারদের অতিরিক্ত দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে দাবি করা হয়েছে।

নরসিংদীতে নারী-পুরুষের এক কেন্দ্র রাখার দাবি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে নারী ভোটারদের জন্য আলাদা কেন্দ্র করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে মধ্যনগর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই নারী ও পুরুষ উভয় ভোটার ভোট দিয়ে আসছেন। নতুন কেন্দ্রটিতে যাতায়াতের সমস্যা রয়েছে এবং সেখানে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত সরকারি সড়কও নেই। তাই আগের কেন্দ্রেই নারী-পুরুষ উভয়ের ভোট নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বেশি ভোটারের সুবিধায় কেন্দ্র বদলের আবেদন

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা পাঁচই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে ৯৬নং সৈয়দা সাফিয়া জাফর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র করার দাবি জানিয়েছেন।

আবেদনকারীদের তথ্যে বলা হয়েছে, বর্তমান কেন্দ্রের আওতায় ভোটার সংখ্যা ৭৯৭ জন। অন্যদিকে প্রস্তাবিত কেন্দ্রের আশপাশে রয়েছেন ৯৪০ জন ভোটার। অধিকসংখ্যক ভোটারের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছে।

২৫ দিন আগে চূড়ান্ত হবে কেন্দ্র

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ১০ সেপ্টেম্বর মাঠপর্যায়ে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এরপর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ইসিতে আবেদন আসতে শুরু করেছে।

এসব আবেদনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিচ্ছে কমিশন। আবেদনগুলো নিষ্পত্তির পর স্থানীয় নির্বাচনের প্রতিটি স্তরের ভোটের ২৫ দিন আগে চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে ইসি।

সিটি থেকে ইউনিয়ন—কত ভোটকেন্দ্র

সম্ভাব্য চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ভোটকেন্দ্র ৫ হাজার ১৫১টি। এসব কেন্দ্রে ভোটকক্ষ ২৫ হাজার ৬৫টি এবং অতিরিক্ত গোপন কক্ষ ১৪ হাজার ২৬২টি।

৫০০ উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪১ হাজার ৪৬৬টি। ভোটকক্ষ ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩০৫টি এবং অতিরিক্ত গোপন কক্ষ ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৬টি।

৩২৬টি পৌরসভায় সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র ৫ হাজার ১৮৪টি। ভোটকক্ষ রয়েছে ২৫ হাজার ৯৬৬টি এবং অতিরিক্ত গোপন কক্ষ ১৬ হাজার ১৬৫টি।

৪ হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদে সম্ভাব্য চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্র ৪৬ হাজার ৩৯৭টি। এসব কেন্দ্রে ভোটকক্ষ ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৯টি এবং অতিরিক্ত গোপন ভোটকক্ষ ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৪টি।

সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ৭৬১টি। ওই নির্বাচনে ভোটকক্ষ ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি।

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখের বেশি

ইসির সর্বসাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ৬৬৫ জন, নারী ৬ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার ৭১১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৬৭ জন।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এসব ভোটারই আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেবেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছেও তথ্য চেয়েছিল ইসি

এর আগে গত ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি পাঠায় নির্বাচন কমিশন। ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচন, শপথ গ্রহণ, প্রথম সভা এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ জানতে চাওয়া হয় ওই চিঠিতে।

পাশাপাশি সীমানা বা ওয়ার্ড বিন্যাসসংক্রান্ত কোনো মামলা রয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন উপযোগী কি না, সেই তথ্যও চাওয়া হয়।

ইসির ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই পৌরসভা এবং ২ আগস্ট ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

পড়ুন: বিভিন্ন দেশে ‘বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ’ কেনার হিড়িক, সাথে বাংলাদেশও

আর/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন