বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা ভারতের সাথে হাত মিলিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভারতের প্রভূত্ব মেনে বাংলার জনগণ কোনদিন বাংলাদেশে বাস করবে না উল্লেখ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আমরা কারো প্রভূত্বে রাজি না। আমরা বন্ধুত্ব করতে চাই পারস্পরিক স্বার্থের বিনিময়ে। এখন একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা ভারতের সাথে হাত মিলিয়েছে। এদিকে ভারত থেকে হুংকার দেয় তিনি ডিসেম্বরে দেশে ঢুকবেন। আর এখান থেকে উনারা বলেন ডিসেম্বরে আমাদের পতন ঘটাবে। একাত্তরের পরাজিত রাজাকার ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দোসররা এই দুই পরাজিত শক্তি এখন একত্রিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নরসিংদীর মনোহরদীতে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর মনোহরদী জোনাল অফিসের আওতায় কাটাবাড়িয়া অভিযোগ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার কুইক রেন্টালের নামে লক্ষ লক্ষ ডলার বিদেশে পাচার করেছে। আমাদের ৮টা গ্যাস চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। আমাদের বঙ্গোপসাগরের বায়ে মিয়ানমার সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করে, ডানে ভারত গ্যাস উত্তোলন করে। আর এদিকে ভারতকে খুশি করার জন্য আমাদের দেশে একটা গ্যাস কুপও করে নাই তারা। আমরা এখন অধিক মূল্যে গ্যাস এনে এগুলো চালু করার চেষ্টা করছি। আমরা বিদেশী কোম্পানির মাধ্যমে সমুদ্রে কয়েকটা গ্যাসকূপ খনন করতে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ, সেই কূপগুলো খনন করা হলে পর্যাপ্ত পরিমান গ্যাস পাব এবং আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করব।

ভারত সুষ্ঠুভাবে পানি বন্টন না করলে চায়নার সহযোগিতা নিয়ে তিস্তা ব্যারেজ করে বর্ষার মৌসুমে পানি আটকানোর কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০২ এর জিএম মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, মনোহরদী জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী ফযীলত রাব্বী মুমিমাহ, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর বাদশা, কাঁচিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন:হাওরের জলে ফুটল সাফল্যের পদ্ম: বিচারালয়ে শুভর জয়যাত্রা

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন