বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চরফ্যাশনে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, বরিশাল থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই অভিযানে বরিশাল থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে বরিশাল নগরের কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। একই দিন বরিশাল থেকে দুজন এবং ওই রাতে শশীভূষণ থানা এলাকা থেকে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। এজাহারে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে এক যুবক তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। পরে ওই যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়।

এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে একটি পাকা সড়ক থেকে ওই কিশোরীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় ওই দিন শশীভূষণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

পরে পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। বরিশাল কোতোয়ালি থানা-পুলিশের সহযোগিতায় ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে বরিশাল এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, তদন্তে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের বিষয়টি উঠে এসেছে। এ ঘটনায় ২৫ সেপ্টেম্বর শশীভূষণ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭, ৯(৪)(খ) ও ৩০ ধারায় মামলা করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শশীভূষণ থানার রসুলপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চুন্নু সিকদার (৫৫), দক্ষিণ আইচা থানার দক্ষিণ আইচা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মনির ব্যাপারী (৩৫) এবং শশীভূষণ ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাইনুল হাজারী ওরফে নুরে আলম (৪২)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. দেলোয়ার হোসেন গ্রেপ্তার তিনজনকে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তবে গ্রেপ্তার মাইনুল হাজারীর ভাতিজা কাইয়ুম অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, মামলার প্রধান আসামি সিয়ামের সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাকে অপহরণ করা হয়নি।

শশীভূষণ থানার ওসি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘বাদীপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে বরিশাল কোতোয়ালি থানা-পুলিশের সহযোগিতায় এবং স্থানীয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। একই অভিযানে বরিশাল থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।’

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. সিয়ামসহ অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামলাটির তদন্তও অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন তাওহীদ একাদশ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন