বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নবাবগঞ্জে ভাঙা মসজিদের সম্পত্তি নিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ঢাকার নবাবগঞ্জের নতুন বান্দুরা শাহী (ভাঙা) মসজিদের সম্পত্তি ও আয়-ব্যয় নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ দাবি করেছে মসজিদ কমিটি। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে শনিবার মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে মসজিদ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মসজিদ কমিটি কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তি নেই। সিএস রেকর্ডে নতুন বান্দুরা মৌজার সিএস ২৩৯ নং খতিয়ানের ১৪৬ ও ১৪৭ ননং দাগে মোট ৪৪ শতাংশ জমি মসজিদের নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ডেও ১৮৯ ও ১৯০ নম্বর দাগে একই পরিমাণ জমি মসজিদ নামে লিপিবদ্ধ হয়। পরে জমিটি মসজিদের নামে নামজারি করা হয়েছে এবং নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

মসজিদের জমির মালিকানা নিয়ে শফিকুল ইসলাম কালু ও তাঁর পক্ষের লোকজনের সঙ্গে বিরোধের কথাও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। কমিটি জানান, কালুদের পূর্বপুরুষ দুখাই দাইকে মসজিদের খাদেম হিসেবে রাখা হয়েছিল। তার দুই ছেলে মসজিদের জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এসএ রেকর্ডে নিজের নাম লিপিবদ্ধ করে। কিন্ত পরবর্তীতে আরএস রেকর্ড পুনরায় মসজিদের নামে হয়ে যায়। তাদের দাবি প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে গত বছর থানায় বৈঠক হয় এবং উভয় পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে কালু পক্ষকে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। যেহেতু তারা সম্পত্তি পাবে না তাই তাদেরকে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে থানায় সাত লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল—এমন অভিযোগও সত্য নয়।

এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহে মসজিদে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা ওঠে এবং দীর্ঘদিন ধরে তা আত্মসাৎ করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও নাকচ করেছে কমিটি। তাদের দাবি, মসজিদের আয় নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক হিসাবে জমা হয় এবং সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের যৌথ হিসাবে তা পরিচালিত হয়। মিনার, অজুখানা, মহিলাদের নামাজের স্থানসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজে মসজিদের অর্থ ব্যয় করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মসজিদ কমিটির প্রতিনিধিরা বলেন, কোনো পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে সিএস-আরএস রেকর্ড, নামজারি ও খাজনা পরিশোধের নথি যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার অনুরোধ জানান তাঁরা। এসময় সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সমাজের মাদবর, এলাকাবাসী সর্বস্তরের জনগণ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : যশোরে ৭৩৭টি মন্ডপে দুর্গা পূজার প্রস্তুতি নিরাপত্তায় প্রস্তুতি সভা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন