পাবনায় কামরুন্নাহার কলিকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ১১ বছর বয়সী এক তৃতীয় শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সাইফুল ইসলাম (৫০) নামের এক চা-দোকানির বিরুদ্ধে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কারিগরপাড়ার মৃত আলমের ছেলে। তিনি সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের এক চা-দোকানি। ভুক্তভোগী শিশুটি একই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার বিকেলে ওই শিশুটিকে নিজ চায়ের দোকানের ভেতরে জোরপূর্বক টেনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান সাইফুল। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত সাইফুল কৌশলে স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যান।
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত সাইফুলের চায়ের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং তার বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ১১ বছর বয়সী শিশুটিকে চায়ের দোকানের ভেতরে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ওসি আরও বলেন, উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের দোকান ও বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
পড়ুন : মেহেরপুরে দুই কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী


