গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) কাশিমপুর থানাধীন ৬ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত গাসিক ৮ নম্বর অঞ্চল কার্যালয়ের পাশের মাঠে এ ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়। খেলাকে ঘিরে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে জমে ওঠে ম্যাচটি।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার। সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা যুগ্মসচিব মিজ্ তানজিলা খানম।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কাশিমপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন মৃধা,সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোল্লা,থানা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাহীন, সদস্য সচিব কে এম হাফিজুর রহমান রাজু, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তাহাজ উদ্দিন মোল্লা, থানা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব হান্নান মোল্লাসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুর মহানগরের ৮টি অঞ্চলের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এ টুর্নামেন্টের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এর অংশ হিসেবে রোববার কাশিমপুর ও পুবাইল অঞ্চলের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শওকত হোসেন সরকার বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় আমরা এই প্রশাসক গোল্ড কাপের আয়োজন করেছি। বর্তমান তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত ও সুন্দর সমাজের দিকে এগিয়ে নিতে বেশি বেশি খেলাধুলার আয়োজন করা প্রয়োজন।”
শওকত হোসেন সরকার আরও বলেন, “আমাদের তরুণ সমাজ, ছাত্রসমাজই দেশের ভবিষ্যৎ। তারা যদি মাঠে থাকে এবং খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, তাহলে আমরা আশাবাদী তারা মাদকদ্রব্য ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকবে। খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত হবে এবং ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী, সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।”
খেলাকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। হাজারো দর্শকের করতালি ও উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের মিলনমেলায়।
পড়ুন : পানিতে ডুবে মৃত্যুঝুঁকিতে শিশুরা: নেত্রকোনায় ৮ মাসে ৮২ প্রাণহানি


