রাজধানীর মিরপুরে মা ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্র রাড্ডা ক্লিনিকে ভাঙচুর ও দখলচেষ্টার অভিযোগে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট শ্রমিক দল নেতাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে রাড্ডা ক্লিনিকে একদল ব্যক্তি অতর্কিত হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ভিডিও ফুটেজে ঘটনার সঙ্গে বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আসে।
ঘটনার পর বিএনপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া গেলেও শাহ আলী থানা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব আওলাদ হোসেন রুবেল ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে এখনো কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ভিডিও ফুটেজের বরাতে দাবি করা হয়েছে, হামলার আগে ওই এলাকায় সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সঙ্গে আওলাদ হোসেন রুবেল ও মো. ইব্রাহিমের চলাচলের দৃশ্য দেখা গেছে।
এদিকে, রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় বিএনপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও শ্রমিক দল নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যদিও এ ঘটনায় শাহ আলী থানা শ্রমিক দলের ৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আলমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেফতারকৃত শ্রমিকদল নেতা এখনো সপদে বহাল রয়েছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে ফোনে ও মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজীব হোসেন জানিয়েছেন, রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পড়ুন : প্রয়োজনে সরকার কঠোর হতে বাধ্য হবে: চিফ হুইপ


