প্রেমের ফাঁদে ফেলে দলবদ্ধ ধর্ষণ: নেত্রকোনার মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধ ও অপরাধ দমনে সক্রিয় বিশেষ বাহিনী স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-এর ধারাবাহিক অভিযানে নেত্রকোনার চাঞ্চল্যকর দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আনারুল ইসলামকে (২২) গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) এসআরবি-১৪ এর অধিনায়কের পক্ষে মিডিয়া অফিসার ও সহকারী পরিচালক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এরআগে, এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এসআরবি-১৪, সিপিসি, ময়মনসিংহের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।

মামলার এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ধৃত প্রধান আসামি আনারুল ইসলামের সাথে নেত্রকোনার এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে কিছুদিন পর তাদের পারিবারিক সম্পর্কে অবনতি ঘটলে আসামি ভুক্তভোগী নারীকে তালাক দেন।

তালাক দেওয়ার কিছুদিন পর গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা অনুমান ৭টার দিকে পূর্বের সম্পর্কের সূত্র ধরে ওই নারীকে দেখা করতে বলেন আসামি আনারুল। তার কথামতো ভুক্তভোগী নারী আসামির বাড়িতে যান। একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কৌশলে তাকে জনশূন্য এলাকায় জোরপূর্বক নিয়ে যান আনারুল। সেখানে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা অন্যান্য সহযোগীদের সহায়তায় ভুক্তভোগী নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

এ ঘটনার পর গত ৩১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নেত্রকোনার পূর্বধলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই মূল অভিযুক্ত আনারুলসহ অন্যান্য আসামিরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চষে বেড়িয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিল।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশজুড়ে খুন, ডাকাতি, দমনপীড়ন এবং সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রোধে এসআরবির আভিযানিক তৎপরতা সর্বদা অব্যাহত রয়েছে। সমাজে অপরাধীদের কোনো স্থান নেই এবং যেকোনো মূল্যে নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বদ্ধপরিকর।

গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মামলার বাকি পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত রেখেছে এসআরবি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিদ্যালয়ের কক্ষে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন