রাজশাহীতে তীব্র গ্যাস সংকট

মরুভূমির মাঝে একফোটা জলের জন্য ছটফট করার ন্যায় গ্যাস সংকটে থাকছে না, দৈনন্দিন খবার তৈরীর তালিকা। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষন, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় নিয়ন্ত্রনে রাজশাহী অঞ্চলের সকল জেলা-উপজেলায় অভিযান চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রাজশাহীতে ১৫টি কোম্পানির মধ্যে ২টি কোম্পানি এলপিজি গ্যাস সরবরাহ করছে। গ্যাস সংকটে ভোক্তারা উচ্চ মুল্য দিয়ে ক্রয় করছেন। দৈনন্দিন খাবার তৈরীর একমাত্র জ¦ালানী হলো গ্যাস। ব্যবসায়ীরা বলছেন গ্যাস পাচ্ছে না তারা।

রাজশাহী জেলা শহরসহ ৯টি উপজেলায় গ্যাস সংকটে দিশেহারা সিংহভাগ পরিবার। সম্প্রতী গ্যাস সংকট এবং উচ্চ মূল্য নিয়ে ভুক্তভোগীরদের মধ্যে হাহাকার শুরু হয়েছে। জেলার বিভিন্ন বাজারে অনুসন্ধানের তথ্যমতে, বিক্রেতারা কিছু গ্যাস মজুত রাখলেও তা রয়েছে অজ্ঞাত স্থানে। বিক্রয় মূল্য রয়েছে আকাশ ছোঁয়া। শহরের বাসাবাড়িতে গ্যাসের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করছে কাঠ,বাঁশসহ বিভিন্ন জ¦ালানী উপকরণ।

জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তথ্য নিয়ে জানা যায়, সরকারী রেটের চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিয়ে গ্যাস ক্রয় করছে ভুক্তভোগীদের। পথচারী ও গ্যাস ক্রয়কারী অনেকে বলছেন, একাধি কোম্পানির গ্যাসের মূল্য নিয়ে বিপাকে ক্রেতারা। সরকারী ভাবে ১২ লিটার সিলিন্ডারের সরকারী ১৭৮৭ টাকা পাইকার মূল্য এবং খুচরা মূল্য ১৮৩৫ টাকা নির্ধারন থাকলেও ডিলাররা বেশি দামে খুচারা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করছেন।

ক্রেতারা বলেছেন, তারা ২ হাজার টাকার চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার কিনছেন। কেউবা বলছেন ২ হাজার ৮শত বা তার বেশি মূল্য দিয়েও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীক সিন্ডিকেটের কারনে বার বার বিপাকে পড়তে হচ্ছে সাধারন মানুষের । ভোগান্তীতে পড়ছে বিভিন্ন স্তরের মানুষ। বিশেষ করে শহরে বসবাসরত পরিবার গুলো বেশি সমস্যার মধ্যে পড়ছে। শহরে রান্নার কাজের জন্য বিকল্প জ¦ালানী ব্যবহার করা সম্বব হয়না।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন মহল বলছেন, মরুভূমিতে এক ফোটা জলের যেমন জীব বৈচিত্রের বাঁচার একমাত্র অবলম্বন। বর্তমান দেশের তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের যে সিন্ডিকেট শুরু হয়েছে। তা একটি সরকারের জন্য ব্যর্থ রাষ্ট্র পরিচালনার মধ্যে পড়ে। দেশের জনগনের খাবার, বাসস্থান ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চয়তা সরকারের প্রধান কর্তব্য। জনগনের ট্যাক্স ও ভ্যাটের অর্থে তাদের উচ্চ মর্যাদা জীবন যাপন এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন নিয়ে উন্নত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।

গ্যাস সংকট নিয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রায় ১৫টি কম্পানী গ্যাস সরবরাহ করতো। বর্তমান ২টি কম্পানী গ্যাস বিক্রয় করছে। ডিলারদের থেকে উচ্চ মূল্যে গ্যাস ক্রয় করতে হচ্ছে। যার কারনে তাদেরকেও বেশি দামে বিক্রয় করতে হচ্ছে। সর্বপরি গ্যাস সংকটে রাজশাহী।

জাতিয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষন, রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালক ইব্রাহীম হোসেন বলেন, প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সুনিদিষ্ট অভিযোগ পেলে ভোক্তা অধিকার টিম অভিযানে করছে। সরকারী ভাবে ডিলারদের বিক্রয় মূল্য ১৭৮৭ টাকা এবং খুচরা মুল্য ১৮৩৫ টাকা।

পড়ুন : পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও সোনার দাম বাড়ল

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন