পাগলা মসজিদের সিন্দুকের ১২ কেজি সোনা ও ১২ কেজি রুপা ট্রেজারিতে রাখা হচ্ছে

ঐতিহাসিক কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে প্রাপ্ত বিপুল পরিমাণ সোনা ও রুপার অলংকার গণনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর গণনার পর দেখা যায়, দান বাক্সে জমে থাকা এসব অলংকারের মধ্যে সোনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ কেজি ১০৪৪ ভরি এবং রুপা পাওয়া গেছে ১২ কেজি ১০৮৮ ভরি।

আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ।

কমিটি সূত্রে জানা যায়, পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া এসব মূল্যবান সোনা ও রুপার অলংকার দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত ছিল। আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব সামগ্রী বের করে গণনার কাজ শুরু করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ৯টি মাঝারি আকারের কনটেইনার এবং ৬টি সিলগালা খাম খুলে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

সোনার অলংকারের খাঁটিত্ব ও মান সঠিকভাবে যাচাই করার জন্য পেশাদার কারিগরদের সহায়তা নেওয়া হয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) ১০ জন অভিজ্ঞ কারিগর দিনভর সোনা ও রুপার অলংকারগুলোর মান অনুযায়ী পৃথকীকরণ এবং নিখুঁত ওজন নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করেন।

গণনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানা যায়, সংগৃহীত অলংকারের মধ্যে সোনার পরিমাণ ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম এবং রুপার পরিমাণ ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম। তালিকা প্রস্তুত শেষে অলংকারগুলো আবার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ধামরাইয়ে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ বাবা, যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন