সীতাকুণ্ডে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের আকিলপুর সমুদ্রসৈকত থেকে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে উপকূলীয় পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে উপকূলীয় এলাকার পরিবেশ-প্রতিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর ‘আকিলপুর সর্বসাধারণ জনগণ’-এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। তাঁরা আকিলপুর সমুদ্রসৈকত থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, উপকূলীয় সম্পদ রক্ষা এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সমুদ্র উপকূলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদের নয়, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বশীল সব পক্ষের কর্তব্য। উপকূলীয় এলাকায় অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে এর বিরূপ প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পড়তে পারে। তাই কোনো ধরনের গাফিলতি না করে বালু উত্তোলনের প্রকৃত অবস্থা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তাঁদের দাবি, আকিলপুর সমুদ্রসৈকত এলাকায় বালু উত্তোলনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখতে হবে। উত্তোলনের অনুমোদন রয়েছে কি না, থাকলে তা নির্ধারিত শর্ত মেনে করা হচ্ছে কি না—সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এসব বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হয়ে থাকলে তা বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান তাঁরা।

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য এক সপ্তাহ আগে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বাপ্পি নামে এক ব্যক্তি খুন হন। ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন আরও একজন। ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে বালু উত্তোলন ঘিরে বিরোধ ও নিরাপত্তার বিষয়টিকে নতুন করে সামনে এনেছে।

এ ছাড়া উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নেও বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। এসব ঘটনায় বালু উত্তোলনসংক্রান্ত বিরোধের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আকিলপুরের বাসিন্দারা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পড়ুন:কাতারে শুরু হয়েছে মিলিপোল কাতার ২০২৬

ইমি/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন