মাদক ও মদের আড্ডায় বেসরকারি করপোরেট কর্মকর্তারা, কাটছে না নেপথ্যের রহস্য

মাদক ও মদের আড্ডায় বেসরকারি করপোরেট কর্মকর্তারা, কাটছে না নেপথ্যের রহস্য রাজধানীর পূর্বাচল সংলগ্ন পুলিশ অফিসার্স হাউজিংয়ে অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে কারা কী উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছেন সে রহস্য কিছুতেই কাটছে না। রহস্যঘেরা ওই মাদক ও মদের আড্ডায় বেসরকারি কয়েকটি করপোরেট কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তার উপস্থিতি ছিলেন। অভিযানের সময় তারা গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, বাড়িটিতে রহস্যময় গোপন বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বিতর্কিত বিজ্ঞাপনী সংস্থা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি), রেকিট, ফিলিপ মরিসসহ বিভিন্ন কোম্পানিতে কর্মরত পদস্থ কর্মকর্তারা। করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তার ওই বাড়িতে জড়ো হওয়াকে ‘কাকতালীয়’ মানতে নারাজ গোয়েন্দারা। তারা বলছেন, ওই বৈঠকের নেপথ্যে রয়েছে গভীর রহস্যময় ষড়যন্ত্র।

অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় ‘মাদকের কারবার’: নারীসহ আটক ৮৪ অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় ‘মাদকের কারবার’: নারীসহ আটক ৮৪
পুলিশ জানিয়েছে,পুলিশ অফিসার্স হাউজিংয়ের ওই বাড়িটি মঙ্গলবার ওএসডি হওয়া অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের। বাড়িটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এয়ারবিএনবির কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল। সেখানে গত সোমবার রাতে অভিযানে যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল। তবে অভিযান থামাতে নানামুখী তদবির করেন আব্দুল্লাহ আল জহির। কিন্তু তদবির উপেক্ষা করে অভিযান অব্যাহত রাখে ডিবি পুলিশ। পরে সেখান থেকে ৫৯ জন পুরুষ ও ২৬ জন নারীকে আটক করা হয়।

আটকদের মোবাইল কোর্ট বসিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করা হয়। পুরুষদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১,০০০ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বাড়িটির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির দাবি করেছেন, জন্মদিন বা গায়ে হলুদের মতো পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে বাড়িটির উঠান ভাড়া দেওয়া হতো। সেখানে যে এসব কর্মকান্ড হতো, সে বিষয়ে তিনি জানতেন না।

কারা, কী উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ডিআইজির ওই বাড়িতে জড়ো হয়েছেন, সেটা পরিষ্কার করেনি তদন্ত সংস্থা। জানতে চাইলে গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনারী সংস্থা ডিবিপুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের প্রত্যেককে নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের পেশা বা কী উদ্দেশ্যে তারা জড়ো হয়েছে, সেটা জানতে পারিনি।’

মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত এসব নারী ও পুরুষের প্রায় সবাই উচ্চবিত্ত পরিবারের। তাদের মধ্যে এক পুলিশ কর্মকর্তার দুই কন্যা,পদস্থ সামরিক -বেসামরিক কর্মকর্তাদের ছেলে ও মেয়েরা রয়েছে। আছেন একটি বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থার ট্রেইনি ক্যাপ্টেনও। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের বিস্তারিত পরিচয়, পেশা, সেখানে জড়ো হওয়ার উদ্দেশ্য, সেখানে রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড ছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে।

আটকের পর কারাদন্ড ও জরিমানা করা ২৬ নারী হলেন- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ করা কেএম সাওফা সিলভি (২৬), পিতা—কেএম এনায়েতুর করিম; মিরপুরের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আফসানা বুলবুল (২৭), পিতা—হামিদ নেওয়াজ; সামজানা মেহজাবীন (২৬), পিতা—ইদ্রিস আলী, মেহজাবীন নিজেকে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ শেষ বর্ষের ছাত্র পরিচয় দেন। তবে তা ভুয়া বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

টঙ্গীর এবিএ গার্মেন্টসের কর্মকর্তা ফারিয়া জামান (২৬), পিতা আক্তারুজ্জামান; ক্লোথিং ব্র্যান্ড উদ্যোক্তা ফারিয়া সুন্নাহ (২৭), পিতা—ফেরদৌস আলী; নিশাত সাল সাবিল মিম (২৭), পিতা—নুরুল ইসলাম; স্কুল ছাত্রী মালিহা, পিতা—আব্দুল বাতেন ও সারিকা (২৫), পিতা—আব্দুল হান্নান চৌধুরী।

তালিকায় আরো আছেন গেট লিবরেজের অপারেশন স্পেশালিস্ট রিফা (২৬), পিতা—শাহ আলম; মোহাম্মদপুরের ইফতিদা (২৩), পিতা—মিন্টু; ছাত্রী ফাউন্ডেশন প্যানস্টোন একাডেমির নায়মা, পিতা—আমিনুল ইসলাম; ক্লোথিং ব্র্যান্ড উদ্যোক্তা মুনমুন রায় বর্ষা (২৫), পিতা—বিমল রায়, রাজধানীর কাওলা সিভিল অ্যাভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী তাসকিন হোসাইন রাহা (১৯), পিতা—তানভীর হোসেন; আইইউবি থেকে অনার্স সম্পন্ন করা হৃদি (২৪), পিতা—মমিনুর রশিদ; নাছরিন সুলতানা (২৬), পিতা—জামান হোসেন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কনসালটেন্ট সায়মা (২৬), পিতা—মঞ্জুরুল মাওলা; ডিজিটাল প্রোডাক্ট কোম্পানির ফ্রি ল্যান্সার ওয়াফা (৩২), পিতা—রফিক।

এছাড়াও তালিকায় আছেন—আমেরিকাভিত্তিক কল সেন্টারে কর্মরত মোহাম্মদপুরের আনিকা বেলাল করিম (৩০), পিতা—আনিস মাহমুদ; মালিহা (২৬), পিতা—জাকির রহমান; আফরা (২৪), পিতা—আব্দুল মান্নান; ছাত্রী সামরাইন (২৩), পিতা—শফি ইকবাল; সোহা (২১), পিতা—শফি ইকবাল; মিরপুর ডিওএইচএসের সাবরিনা (১৯), পিতা—সিহাব ইকবাল; বিইউপির ছাত্রী জারিন তাসনিম (২৬), পিতা—মেজর (অব.) সোয়েব; আমেরিকা থেকে ছুটিতে আসা সামিয়া (২৫), পিতা— কামরুজ্জামান। চট্টগ্রাম এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ইউমেনের ছাত্রী রুবাবা মোহাম্মদী (২৫), পিতা— আব্দুল কাদির।

সাজাপ্রাপ্ত ৫৯ পুরুষ হলেন- চট্টগ্রামের এনায়েত বাজারের সুকেন্দু বিকাশ বড়ুয়ার ছেলে রানা বড়ুয়া (৩৮), মিরপুর ডিওএইচএসের শহিদুল হাসানের ছেলে নাদবি হাসান (২৬), উত্তর ইব্রাহিমপুরের আবু জাফর মোল্লার ছেলে সাদমান রাফিক (২৫), উত্তরা পশ্চিমের মৃন্ময় গুহের ছেলে পরম গুহ (২৬), ধানমন্ডির আবু মো. শফিউল আজমের ছেলে আবু মো. মুহসিউল আজম (৩২), গ্রিন রোডের উমর আল ফারুকের ছেলে মোরসালিন (২৪), গুলশান-২-এর এহসানুল হকের ছেলে রাইয়ান আব্দুল্লাহ সাকিবুল হক (২৭), মিরপুর ডিওএইচএসের শহিদ উল্ল্যার ছেলে রামিম আল রাফি নাসিম (২৫), ধানমন্ডির সেলিস এইচআর-এ ইন্টার্ন হিসেবে কর্মরত শেওড়াপাড়ার ইছাক আলীর ছেলে সাদমান সাকিব (২৮), ধানমন্ডির পাভেল শাহাবুদ্দিনের ছেলে আল শাহরিয়ার রুদ্র (২২)।

দণ্ডিতদের মধ্যে আরো আছেন— পশ্চিম শেওড়াপাড়ার আহসান হাবীব সুমনের ছেলে সাদমান বিন আহসান (২৫), তিনি গুলশান-১-এর ‘ইটিআই বাংলাদেশ’ এনজিওর কর্মকর্তা। বনানীর আব্দুল ছাত্তারের ছেলে হানজালা নূর সাঈদ (২৭); তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র। পশ্চিম মালিবাগের শাহ মো. জুবায়ের হোসেনের ছেলে শাহ মো. শাফায়েত হোসেন (২২)।

ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ইসিবি চত্বরের আব্দুর রহমানের ছেলে নাঈমুর রহমান (২৬); তিনি রেকিট বেঁচকাইসের ব্র্যান্ড ম্যানেজার। উত্তর বাড্ডার ইমরুল আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম রাফি (২৬); তিনি উত্তরার শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির ছাত্র। ধানমন্ডি-৩২-এর কামরুল ইসলামের ছেলে হাসিব খান (২৬); তিনি আইইউবির ছাত্র। বনানীর নিয়ামত উদ্দিন আহমেদের ছেলে তাওহিদ (২৭); তিনি ফিলিপ মরিসের (মালবোরো) ম্যানেজার।

আরো আছেন, পল্লবীর নুরুল ইসলামের ছেলে মো. সাদাত (২৮); তিনি মারভেল কোম্পানির কমিউনিকেশন লিড (জনসংযোগ কর্মকর্তা)। কাফরুলের জাহাঙ্গীর হারুনের ছেলে জিফান তাহমিদ (২৯); তিনি ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ব্যবসায়ী। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার শাহিন ভূঁইয়া (৩২)। ইসিবি চত্বরের জামাল হোসেন সিকদারের ছেলে জুবায়ের সিকদার (২৫); তিনি বিইউপির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। পুরান ঢাকা কোতোয়ালির ফারিয়াজ আরজুর ছেলে ফারাহিম ফাইয়াজ (২৭); তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের সেলস অ্যান্ড রিজার্ভেশন অফিসার।

উত্তর কাফরুলের গোলাম কিবরিয়ার ছেলে শায়ান কিবরিয়া (১৯); তিনি আদমজী কলেজের শিক্ষার্থী (এইচএসসি পাস)। খিলক্ষেত লেকসিটির বাবর আলীর ছেলে মাহবুবুল আলম (৩৮); তিনি গোল্ডেন সানরাইজের ম্যানেজার। কলাবাগান সেন্ট্রাল রোডের সোহেল আহমেদের ছেলে ফারহান আহমেদ (২৫); তিনি বিইউপির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। কাঁঠালবাগানের জয়নাল আবেদিনের ছেলে আইমান আবেদিন রাফিন (২৫); তিনি অনলাইন পেজ মডারেটর। মোহাম্মদপুরে শেখ ফজলুল হকের ছেলে শেখ ফাহিম হক (২৬); তিনি আইইউবির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ভাটারা ব্লক-জির মির্জা বকুলের ছেলে মির্জা আরেফিন (২৭)। পল্লবীর এমএ গফুরের ছেলে মেহরাব রহমান (২৬); তিনি বিইউপির এমবিএর ছাত্র।

রূপগঞ্জ জলসিঁড়ি আবাসন এলাকার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাকিরের ছেলে হিম (১৯); তিনি বিইউপির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। মিরপুর ক্যান্টনমেন্টের হাসান মোহাম্মদ তানভির ইমতিয়াজের ছেলে রাশিক ইভতেসাম (২০); তিনি আদমজী কলেজের শিক্ষার্থী (এইচএসসি পাস)। ভাটারার রাশেদুল হকের ছেলে রাফিয়াদ দারাজাদ হক (২৩); তিনি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। কোতোয়ালির নবাবপুর রোডের এরফান হাসান (৩০)। ধানমন্ডির ড. হাবিবুর রহমানের ছেলে মাহমুদ ফাহিম রহমান শান্ত (২৫); তিনি কিংস কলেজ লন্ডনের ছাত্র।

ক্যান্টনমেন্ট ইসিবি এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে রাকিবুল ইসলাম তানজিম (২৭)। শাহজাহানপুর শহীদবাগের মঈনুল হকের ছেলে সাফওয়ান হক (২৭); তিনি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র। বসুন্ধরার জামাল উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে রাফি আহমেদ চৌধুরী (২২); তিনি এআইইউবির ছাত্র। কাফরুলের মো. মনিরুজ্জামানের ছেলে মাফি মুস্তাফা (২৫); তিনি ইনভিজিবল টেকের (ইউএসএ) ডেটা অ্যানালিস্ট। আফতাবনগরের শফিক উল্লাহর ছেলে তানজির আহমেদ (৩১)। মিরপুর-১২ পল্লবীর মো. মাইনুদ্দিনের ছেলে সাজিদ মাহমুদ (২৬)। উত্তর বাসাবোর মহসিন সরকারের ছেলে ফাইজাল আলভি সরকার আদব (২৫)। ধানমন্ডির মাহফুজুর রহমানের ছেলে ওমর বিন মাহফুজ (২৪)। ভাটারার সাজ্জাদুল আলম সেজান (২৭)।

মিরপুর ক্যান্টনমেন্টের আব্দুস সালামের ছেলে ফয়সাল আহমেদ(২৪); তিনি এমআইএসটির স্টুডেন্ট ও রিসার্চ অ্যানালিস্ট। ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা বাজারের ইসমাইল হোসেনের ছেলে তানজিদ ইসলাম সিয়াম (১৯); তিনি আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ছাত্র। বনশ্রী রামপুরার মিজান মাওলার ছেলে আফতাবুল মাওলা রাব্বি (২৪)। পশ্চিম রামপুরার ইয়ামিন খানের ছেলে ইউসুফ খান পলক (২৫); তিনি বিআইইউপির সিএসইর ছাত্র। ক্যান্টনমেন্ট ইসিবি এলাকার মাইনুদ্দিন মানিকের ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৬); তিনি আইইউবিএটির বিবিএর ছাত্র।

নর্থ কাফরুলের সুলতান আহমেদের ছেলে ফেরদৌস আহমেদ (৩০); তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগে কর্মরত। শান্তিনগরের শাহ নিয়াজ আকনের ছেলে হাসান হাফিজুর (২৭), খিলক্ষেতের রেজাউল করিমের ছেলে সাজিউর রহমান (২৬), শান্তিনগরের শহিদুল আলম চৌধুরীর ছেলে হামেদ হাসান (২৪), শান্তিনগরের মহিউদ্দিন খানের ছেলে ফারহান খান সাদাফ (২৫), দক্ষিণখানের কাজী তাহমিদ ইসলাম (২৮)। লালমাটিয়ার শেখ মনিরুল আলম টিটুর ছেলে শেখ অধ্যায় আলম (২৩)।

মিরপুর-১০-এর মাসুদ রানার ছেলে আরিয়ান মানাভ (২৭), পশ্চিম শেওড়াপাড়ার জলিল উদ্দিনের ছেলে নাহিন আলী জাকি (২৬), মিরপুর ডিওএইচএসের জামাল হোসেনের ছেলে তাজওয়ার তাহমিদ জামাল (২৬) এবং ঢাকার কাঁটাবন রোডের শেখ ফরিদ হোসেন চৌধুরীর ছেলে আইমান শাবিত চৌধুরী (২৫) লেজিট বান্দা নামক বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা।

তাদের বিষয়ে পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অনেকে নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করেছেন বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন।

অভিযান পরিচালনাকারী ডিবি উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির জানান, বাড়িটিতে নিয়মিত ডিজে পার্টির নামে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদকের আসর বসত। মদ, নারী ও অসামাজিক কার্যকলাপ—সবই চলত ফ্রি স্টাইলে।

পড়ুন:গাজীপুরে সুতা ও কার্টন গুদামে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন