চন্দনাইশে মহাসড়কে সৌদিয়া পরিবহনের বাস উল্টে আহত ২০

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশে সৌদিয়া পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বাগিচাহাটের উত্তর পাশে খানদিঘী শিকারীপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
‎
‎প্রত্যক্ষদর্শী কলেজছাত্র জালাল উদ্দীন বাবু জানান, ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী হলুদ রঙের সৌদিয়া পরিবহনের বাসটি খানদিঘী শিকারীপাড়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে বাসটি মহাসড়কের মাঝখানে উল্টে যায়। বাসের সামনের ও জানালার কাচ ভেঙে সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
‎
‎দুর্ঘটনায় বাসের ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা উদ্ধারকাজ শুরু করে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। গুরুতর আহত কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর জন্য রেফার করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
‎
‎বাসটি মহাসড়কের ওপর উল্টে পড়ে থাকায় উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে। খবর পেয়ে দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করে। পরে রেকার ও ক্রেনের সাহায্যে বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় ৩০ থেকে ৪০ জন যুবক উদ্ধার ও যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশকে সহায়তা করেন।
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কের ওই অংশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। এ ছাড়া সড়কে সামান্য বাঁক থাকায় ভোররাতে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁরা ওই এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
‎
‎দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আবছার বলেন, বাস উল্টে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পড়ুন : রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের সজোরে ধাক্কা, নিহত ৩

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন