ঢাকার ধামরাইয়ে পুকুর থেকে তাহমিনা আক্তার শিল্পী নামে দুই সন্তানের জননীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়নের ঈশাননগর এলাকায় নিজ বাড়ির পাশের চেয়ারম্যান বাড়ির পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত তাহমিনা আক্তার শিল্পী ঈশাননগর এলাকার বাসিন্দা আজিজুর রহমানের স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের মধ্যে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, বৃহস্পতিবার ভোরে ফরজ গোসল করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি পুকুরে পড়ে যান এবং কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে অন্য কোনো কারণের কথা জানানো হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত তাহমিনা আক্তার শিল্পীর সঙ্গে পরিবারের কারও বিরোধ ছিল না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে পুকুরে তাঁর মরদেহ কীভাবে পাওয়া গেল, তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) অপারেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুকুর থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।
এ ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পড়ুন:মানবতাবিরোধী অপরাধ: মাহবুব-উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড
ইমি/


