ভেদরগঞ্জে কোটি টাকার খাসজমি উদ্ধার, কাঁটাতারের বেড়া ও সাইনবোর্ড লাগালেন ইউএনও

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে বেসরকারি সাজেদা জব্বার হাসপাতালের সামনে ভরাট করে পার্কিং হিসেবে ব্যবহার করা সরকারি খাসজমি উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। উদ্ধার করা জমিতে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে প্রশাসনের উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৯০ নম্বর চর সখিপুর মৌজার বিএস (বিআরএস) জরিপের ১৫৪৩৮ ও ১৫৫৪০ নম্বর দাগের ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত জমিটি সরকারি খাসজমি। হাসপাতালের সামনে থাকা জমিটি মাটি দিয়ে ভরাট করে দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স এবং মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। স্থানীয়দের ধারণা, জমিটির বাজারমূল্য দুই কোটি টাকার বেশি।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে প্রশাসনের উদ্যোগে জমিটি উদ্ধার করে সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয় এবং সরকারি সম্পত্তি উল্লেখ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে সাজেদা জব্বার হাসপাতালের উপপরিচালক মাহাবুব হোসেন জমিটি সরকারি খাসজমি বলে স্বীকার করে জানিয়েছিলেন, স্থানীয় রাতুলসহ ১৬ জন এসএ খতিযানে জমিটির মালিকানা দাবি করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জমিটি ভরাট করে গাড়ি রাখলেও দখল করেনি বলে দাবি করেছিলেন তিনি।

রাতুল বলেন, আমরা জমিটি পূর্বে এসএ মালিকানায় রয়েছি। এ ঘটনায় আমরা মামলা করেছিলাম। মামলায় দুটি রায় পেয়েছি। মূলত আমরা এই জমিটি পেয়ে যাব আশা করি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু বকর সিদ্দিক জানিয়েছিলেন, সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমি দখল করা আইনগত অপরাধ। কেউ সরকারি জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা দখল করে থাকলে তা উচ্ছেদ করা হবে।

সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে উদ্ধার করা জমি যাতে পুনরায় কেউ দখল করতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত তদারকি এবং সরকারি সম্পত্তির সীমানা সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ফটিকছড়িতে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন