পিরোজপুরের ইউপি সদস্যের পক্ষে জনতার অবস্থান, মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. ইলিয়াস খানের বিরুদ্ধে থানায় দায়ের করা অভিযোগকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁর পক্ষে পাঁচ শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় বক্তারা অভিযোগ প্রত্যাহার এবং প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের চরগাজীপুর এলাকার খেয়াঘাটে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হোসেন, মধু খান ও মিজান খানের গাছ থেকে হাচান শেখ সুপারি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাঁকে ধাওয়া করেন। এ সময় দ্রুতগতিতে ভ্যানে করে পালানোর চেষ্টা করলে শাহাদাত খানের বাড়ির সামনের সড়কের মোড়ে একটি সাইকেলের সঙ্গে তাঁর সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি আহত হন।

বক্তারা আরও বলেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে ইউপি সদস্য ইলিয়াস খানকে জড়িয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে ইউপি সদস্যের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। হাচান শেখের বিরুদ্ধে এলাকায় সুপারি চুরি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।

ইউপি সদস্য মো. ইলিয়াস খান বলেন, হাচান শেখের কর্মকাণ্ডে এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অতিষ্ঠ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় গাছের সুপারি চুরির অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। গত বৃহস্পতিবারও সুপারি নিয়ে ভ্যানে করে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাঁকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি আহত হন। অথচ এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁকে জড়িয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইউপি সদস্য হিসেবে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাচান শেখকে সড়কে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। উদ্ধার করা সুপারিগুলো চৌকিদারের জিম্মায় রাখা হয়।

মানববন্ধনে আনসার শেখ (৫৫), আরিফ খান, আনসার শেখ (৩৫), শুকুর শেখসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

মানববন্ধন শেষে হাচান শেখকে আইনের আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন এলাকাবাসী।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কসবায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন