বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে ভোটার হতে গিয়ে দালালসহ রোহিঙ্গা নাগরিক আটক

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় ভোটার হতে যাওয়া এক দালালসহ এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৩ জুন) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন, কক্সবাজার উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ২২নম্বর ক্যাম্পের ৩৯৫ রুমের আমির হোসেনের ছেলে নুরুল আমিন (৩০) ও সোনাইমুড়ীর জয়াগ ইউনিয়নের বাওর কোট গ্রামের স্বর্ণকার বাড়ির মৃত শফিকুল্লার ছেলে মো.বেলায়েত হোসেন (৪৩।

স্থানীয়রা জানায়, চট্টগ্রামে বসবাসরত সোনাইমুড়ীর বাসিন্দা মো. রাজু (৩৮) দালালের মাধ্যমে রোহিঙ্গা যুবক নুরুল আমিন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মসনদ তৈরী করে নেন। এরপর মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা যুবক নুরুল আমিন সোনাইমুড়ীতে আসেন। পরে বিকেল ৩টার দিকে ভোটার হওয়ার উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যান। ওই সময় রাজু দালালের চাচা বেলায়েত হোসেন রোহিঙ্গা যুবকের ভোটার হওয়ার সকল কাগজপত্র সংগ্রহ করে উপজেলা নির্বাচন অফিসে আসেন। পরে সেখানে রোহিঙ্গা যুবককে ভোটার হওয়ার জন্য ছবি তোলার চেষ্টা করেন। নির্বাচন অফিসে তাদের কথাবার্তায় গরমিল পাওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে রোহিঙ্গা যুবক জানান রাজু দালালের মাধ্যমে তিনি ভোটর হতে এসছেন। রাজু দালাল দুপুর ২টার দিকে তাকে তার কাকা দালাল বেলায়েতের হাতে তুলে দেন। ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দেয় দালাল মো.রাজু।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিসের সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো.আলী হোসেন বলেন, তাদের আচরণ, তথ্য ও কথা বলায় গরমিল পেলে সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তাদের কাগজপত্রের বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করা হলে তারা ধরা পড়েন। আটক দুইজনকে সন্ধ্যায় থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, এক দালালসহ অভিযুক্ত রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুন: নাটোরে মামলা থেকে নাম বাদ দেবার কথা বলে ৫ লাখ টাকাঘুষ দাবী এসআইয়ের বিরুদ্ধে

দেখুন: শাকিব খান না সালমান শাহ্‌ | মিশার চোখে কে সেরা ?

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন