নোয়াখালীতে বৃষ্টির পরিমাণ কমেছে। এর ফলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনার কারণে পানি ধীরগতিতে নামছে। এ কারণে বৃষ্টি কমলেও শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমেনি। জেলা শহর মাইজদীসহ বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট এখনো পানির নিচে। শহরে আটক থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন ও খালগুলো পরিষ্কার করছে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার বিকালেজেলা বিএনপির নির্দেশে মাইজদীর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, হাউজিং ও কৃষ্ণনারায়ণপুর এলাকার ড্রেন ও খালগুলো পরিস্কার করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরআগে গত বুধবার মাইজদী-গাবুয়া খালও পরিস্কার করে তাঁরা।
ড্রেন ও খাল পরিস্কার কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ জাফর উল্লাহ রাসেল, জেলা কৃষকদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ডলার আলাউদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, নোয়াখালী কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাফরাতুল ইসলাম নাবিল প্রমুখ।
বিএনপি নেতারা বলেন, বিগত বন্যার পর শহরের ড্রেন ও খালগুলো পরিস্কার ও সংস্কারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে সামন্য বৃষ্টি হলেই শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণের কারণে পুরো শহর ডুবে গেছে, মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে জেলা বিএনপির নির্দেশে তাঁরা এগিয়ে এসেছেন। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এ কাজ করছেন তাঁরা।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে প্রবল বর্ষণে জেলার সদর, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট, সুবর্ণচর, সেনবাগ ও হাতিয়া উপজেলা প্লাবিত হয়ে ৪১ হাজার ৮৪০টি পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। এতে ২ লাখ ৩১০০ মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত হয়েছে ৪১টি ঘরবাড়ি। ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় এক হাজার ৪১৯জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
জেলা আওহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, জেলা গত দুইদিনের তুলানায় বৃষ্টিপাত কমেছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাত আগামী ৩দিনও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
পড়ুন: গাজীপুরে দুষ্কৃতিকারীদের ছুরিকাঘাতে শ্রমিক নিহত
দেখুন: বরিশালে লতা নদীতে মৃদু ঝড়ে লঞ্চডু বি
ইম/


