মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সরাসরি এই নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত বলে জানা গেছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, সম্প্রতি ১৪৭ জনের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটটি। বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট নিয়োগ পক্রিয়ার সাথে জড়িত ছিল।
চলতি মাসের ৪ জুলাই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। ৬ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করা হয়। মেঘনা পেট্রোলিয়াম কর্পোরশন সূত্রে জানা গেছে, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণের মধ্যে মাত্র ২ জন মাস্টাররোলে কর্মরত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাস্টাররোলে কর্মরত একজন নাগরিককে জানান, বছরের পর বছর কষ্ট করে যাচ্ছি। পরীক্ষা ভালই দিয়েছি। দেনদরবারও করেছি যাতে নিয়োগ পায়। হতাশার সুরে বলেন, দূর্নীতি ফাঁস হয়ে যাবে তাই মাষ্টাররোলে কর্মরতদের ধরা দেয়নি সিন্ডিকেট।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেঘনা পেট্টোলিয়ামের এক কর্মকর্তা নাগরিককে জানান, দ্রুত সময়ে নিয়োগ বিষয়টি পজেটিভ। তবে এত দ্রত সময়ে নিয়োগের বিষয়টিতে রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের কর্মকর্তাদের সাথে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতানের সখ্যতা রয়েছে। নিয়োগ বাণিজ্যে তার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেটের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আগামি ২৭ জুলাই তিনি অবসরে যাবেন বলে জানা গেছে।
বিগত দিনে মেঘনা পেট্রোলিয়ামকে যারা দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত করেছিলেন, তারা বহাল তবিয়তে আছেন বলে জানা যায়।
এসব বিষয়ে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতান ও জিএম ইনাম ইলাহী চৌধূরীকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে নক দেয়া হলেও সাড়া দেননি। ফলে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজনের সাধারণ সম্পাদক (চট্টগ্রাম) এডভোকেট আকতার কবির চৌধুরী নাগরিককে জানান, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ মেনে নেয়া যায় না। নিয়োগ যেভাবে দ্রত হয়েছে তেমনি অভিযোগ থাকলে দ্রুত খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি এই ঘটনার সাথে জড়িত প্রমানিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে বলেও জানান তিনি।
পড়ুন: চট্টগ্রামে পটিয়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জসিম গ্রেফতার
এস/



এই নিয়োগ বানিজ্যে বন্ধ হোক।