মরমি বাউলসাধক লালন শাহের জীবন ও আখড়াকেন্দ্রিক বিকাশ নিয়ে ঢাকার স্বনামধন্য নাট্যসংগঠন ‘থিয়েটার’ প্রযোজনা করেছে নাটক বারামখানা। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মনের মানুষ উপন্যাস-অনুপ্রাণিত এ-নাট্যটি রচনা করেছেন পান্থ শাহরিয়ার এবং নির্দেশনা দিয়েছেন ত্রপা মজুমদার। বারামখানা নাট্যটির কাহিনি-উপন্যাসে বিধৃত লালন শাহের জীবনচরিত ও আখড়াকে ঘিরে আবর্তিত। আগামী ১৯শে জুলাই শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় মহিলা সমিতির নিলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হবে নাটক বারামখানা।
থিয়েটারে ৪১তম প্রযোজনা এ-বারামখানা নাট্যটি, যাতে লালনের জীবনপ্রবাহ ও আখড়াকেন্দ্রিক বিদ্যমান পরিস্থিতি উপস্থাপিত হয়েছে। ছেঁউড়িয়ায় বসবাসকালে সেখানেই একটি আখড়া তৈরি করেন লালন। আখড়ায় লালন নিয়মিত সাধন-ভজন করতেন। ধীরে ধীরে শিষ্য সংখ্যা বাড়ে। আখড়ায় বসে লালন শাহ তাঁর শিষ্যদের নীতি ও আধ্যাত্মিক জ্ঞানের শিক্ষা-দীক্ষা দিতেন। তাঁর অধিকাংশ শিষ্যই তাকে সাঁই বা সাঁইজি বলে সম্বোধন করতেন। এই প্রেক্ষাপট নিয়েই নাটকটি।

বারামখানা নাট্যের কলাকুশলী হচ্ছেন – অভিনয়ে : রামেন্দু মজুমদার, ত্রপা মজুমদার, তানজুম আরা পল্লী, তামান্না ইসলাম,এরশাদ হাসান, কাওসার রাজীব, আবদুল্লাহ আল মামুন জুয়েল, রাশেদুল আওয়াল শাওন, ইসমত আরা, রবিন বসাক, নূরে খোদা মাসুক সিদ্দিক, সফিউর রহমান মানু, জোয়ারদার সাইফ, তানভীর হোসেন সামদানী, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, কল্যাণ চৌধুরী, জোয়ারদার সাইফ, রবিন বসাক, আসমা হেনা, পরেশ আচার্য্য, নূরে খোদা মাসুক সিদ্দিক, শেকানুল ইসলাম শাহী, মারুফ কবির, কানিজ ফাতেমা সোনিয়া, কল্যাণ চৌধুরী, তাহমিনা স্মৃতি, শেকানুল ইসলাম শাহী।
নাট্য নির্মাণের বিভিন্ন পর্বে সংগীত দলে রয়েছেন, কার্তিক, বিশ্বজিৎ বৈরাগী, তন্ময় ঘোষ, পল্লী, স্মৃতি, কল্যাণ, রবিন, তানভীর, রাজীব, হেনা, ইসমত, আতিক। মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনায় মো. সাইফুল ইসলাম। পোশাক পরিকল্পনায় ওয়াহিদা মল্লিকজলি। সংগীত-পরিকল্পনায় কার্তিক। লাঠিখেলা পরিচালনায় সাইদুর রহমান লিপন । মঞ্চ-ব্যবস্থাপনায় খুরশীদ আলম।
পড়ুন : আত্মহত্যা প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে মঞ্চে এলো ‘আত্মজয়’


