বিজ্ঞাপন

জকসুর ব্যানারে শিবিরের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ তুলে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন জকসুর তিন সম্পাদক ও এক কার্যনির্বাহী সদস্য।

আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবনের নিচে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন জকসুর এই তিন নির্বাচিত প্রতিনিধি।

সংবাদ সম্মেলনে জকসুর পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক মো. রিয়াসাল রাকিব, পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক তাকরিম আহমেদ ও কার্যনির্বাহী সদস্য সাদমান সাম্য উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, গত ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনের পর থেকে একটি ছাত্রসংগঠনের নেতারা জকসুর প্ল্যাটফর্মকে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে ছাত্র সংসদের নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জকসুর এই প্রতিনিধিরা বলেন, জকসু শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের একটি গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করা, কোনো দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন নয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট প্যানেল নির্বাচনের আগে যে ইশতেহার দিয়েছিল, নির্বাচনের পর তা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই; বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় কর্মকাণ্ডেই তাদের বেশি সক্রিয় দেখা যাচ্ছে।

জকসু পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক মো. রিয়াসাল রাকিব বলেন, ‘জকসু হওয়ার পর থেকে শিবিরের ব্যানার হারিয়ে গেছে। জকসুর ব্যানারে তারা তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে, অথচ আমরা কিছুই জানি না। সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের অপব্যবহার করে তারা জকসুর ব্যানারকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করছে।’

পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন বলেন, ‘শিবির প্যানেল বারবার তাদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে জকসুকে ব্যবহার করে আসছে। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে সেটা আপনারা দেখছেন। তা ছাড়া অজপাড়াগাঁয়ের কোনো কলেজে কী হচ্ছে, ডাকসু ইস্যুসহ নানা ইস্যু নিয়ে আমাদের জকসুর ব্যানার ব্যবহার করছে। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে জবি ছাত্রদলের দেয়াল লিখন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন