বিজ্ঞাপন

বর্ষবরণে প্রস্তুত ‘দ্য ব্যাটারি আটলান্টা’

নতুন বছর ২০২৬-কে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত জর্জিয়ার জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র ‘দ্য ব্যাটারি আটলান্টা’। শেষ মুহূর্তের আলোকসজ্জা, সাউন্ড সিস্টেম পরীক্ষা আর আতশবাজির প্রস্তুতি নিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকরা। বছরের অন্যতম বড় এই আয়োজন ঘিরে সাজসাজ রব পুরো এলাকায়।

বিজ্ঞাপন

ব্রাভেস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির প্রতিনিধি লরেন অ্যাবারনেথি জানান, বুধবার রাত থেকেই হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত হবে এই প্রাঙ্গণ। তিনি বলেন, ‘আমরা লাইভ মিউজিক, লাইটিং এবং সাউন্ডের কাজ শেষ করছি। আতশবাজি লোড করা হচ্ছে। এক কথায়, একটি জমকালো নিউ ইয়ার পার্টির জন্য যা যা প্রয়োজন, তার সবটুকুই থাকছে এখানে।’

শিশুদের জন্য ‘আর্লি ইনিংস’ পরিবার নিয়ে আসা দর্শকদের জন্য থাকছে বিশেষ আয়োজন। সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হবে ‘আর্লি ইনিংস’। যেখানে শিশুদের জন্য থাকবে নাচ, গান ও বিনোদনমূলক নানা কার্যক্রম। যারা মাঝরাত পর্যন্ত জেগে থাকতে পারবে না, তাদের জন্য রাত ৮টাতেই আয়োজন করা হয়েছে একটি স্পেশাল কাউন্টডাউন। শিশুদের জন্য এই পর্বে থাকবে রঙিন স্ট্রিমার এবং ইনফ্ল্যাটেবল বেসবলের মতো চমক।ভোজনরসিকদের জন্য বিশেষ মেনু রাত বাড়ার সাথে সাথে ব্যাটারির রেস্টুরেন্টেরগুলোতে বাড়বে ভোজনরসিকদের ভিড়। বিখ্যাত রেস্টুরেন্টে ‘সি. এলেটস’-এর জেনারেল ম্যানেজার মাইক টেলর জানান, এই বিশেষ রাতের জন্য তারা তৈরি করেছেন বিশেষ মেনু।মধ্যরাতের মূল আকর্ষণ রাত ৯টা থেকে শুরু হবে বড়দের মূল উদযাপন। লাইভ মিউজিক আর কনসার্টের তালে মেতে উঠবে পুরো চত্বর। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা ছোঁয়া মাত্রই শুরু হবে চূড়ান্ত কাউন্টডাউন, আর তার পরেই আটলান্টার আকাশ আলোকিত হবে চোখ ধাঁধানো আতশবাজির ঝলকানিতে।

দর্শনার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে কর্তৃপক্ষ বিশেষ পার্কিং সুবিধা রেখেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু করে ইংরেজি নববর্ষের দিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত রেড, গ্রিন, পার্পল, সিলভার, ডেল্টা এবং ট্রুইস্ট পার্কিং ডেকগুলোতে বিনামূল্যে গাড়ি রাখা যাবে। 

পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-হাসপাতালের আশপাশে সিগারেট বিক্রি করলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

দেখুন: অপারেশন ডেভিল হান্ট-২ নিয়ে যা বললো ডিএমপি

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন