শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভিসি চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা যোগ দেন বিক্ষোভ মিছিলে। মিছিলটি বিভিন্ন হল ও সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসিতে শেষ হয়।
বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে ডাকসু নেতারা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে পরাজয় আঁচ করতে পেরে দেশব্যাপী সহিংসতা করে যাচ্ছে। নারীদের ওপর হামলা আর খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। এ সময় নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।
বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে রেজাউল হত্যায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানানোর পাশাপাশি বিএনপিকে সন্ত্রাসী, খুনি ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানান।
এর আগে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান শেরপুরের ঘটনা নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকরা বিলম্বে এসে চেয়ারে বসা নিয়ে বাক বিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর বিএনপি সন্ত্রাসীরা হামলা করে।’
পড়ুন: গণভোট প্রচারে ৬ মন্ত্রণালয় নিচ্ছে ১৪০ কোটি টাকা
আর/


