বিজ্ঞাপন

বিজয়ের মন্ত্রিসভার সর্বকনিষ্ঠ সদস্য কীর্তনা সম্পর্কে যা জানা গেল

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এখন সব থেকে বেশি চর্চা হচ্ছে এস কীর্তনাকে নিয়ে। অভিনেতা বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজ়াগাম (টিভিকে)-র এই বিধায়ক বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। কীর্তনা এখন সে রাজ্যের কনিষ্ঠতম মন্ত্রী হতে চলেছেন। মাত্র ২৯ বছর বয়সী কীর্তনা বিরুধুনগর জেলার শিবকাশী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয় হাসিল করেছেন। এই তরুণী এখন বিজয়ের মন্ত্রিসভার অন্যতম প্রধান মুখ।

১৯৯৬ সালে বিরুধুনগরের এক সাধারণ পরিবারে কীর্তনার জন্ম হয়। একটি তামিল সরকারি স্কুল থেকে পড়াশোনা করেন তিনি। এর পরে মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে স্নাতক হন কীর্তনা। ২০১৯ সালে পুদুচেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেন তিনি। কীর্তনা পড়াশোনার পাশাপাশি পাঁচটি ভাষায় বেশ দক্ষ। স্রেফ মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছে থেকেই বিজয়ের দলে যোগ দেন তিনি। কীর্তনা জানিয়েছেন, বিজয়ের দলে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

রাজনীতিতে আসার আগে কীর্তনা পলিটিক্যাল কনসালটেন্ট বা রাজনৈতিক কৌশলী হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি আইপিএসি এবং ‘শো-টাইম কনসাল্টিং’-এর হয়ে ভোট কুশলী হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমকে স্ট্যালিন এবং চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গেও কাজ করেছেন। কীর্তনা তাঁদের নির্বাচনী প্রচারের রণনীতি তৈরি করেছেন বলে সূত্রের খবর। যার ফলে তিনি প্রশাসন এবং আমলাতন্ত্রের কাজকর্ম খুব কাছ থেকে দেখেছেন।

কীর্তনা তামিল, ইংরেজি, হিন্দি এবং তেলুগু-সহ মোট পাঁচটি ভাষায় পারদর্শী। তাঁর মতে, ভাষা তাঁকে বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি বিশেষ করে হিন্দি শেখার ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে ভারতীয়দের কাছে টিভিকের রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায়। তিনি মনে করেন, ভাষা মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সব থেকে বড় মাধ্যম।

২০২৬ সালের শিবকাশী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কীর্তনা ৬৮ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়েছেন। তিনি কংগ্রেস প্রার্থী অশোকন জি-কে ১১,৬৭০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। গত ৭০ বছরে শিবকাশী থেকে তিনি প্রথম মহিলা বিধায়ক হিসেবে জয়ী হয়েছেন। এমনকী তিনি এআইএডিএমকে-র সাবেক এক মন্ত্রীকেও নির্বাচনী লড়াইয়ে হারিয়ে দিয়েছেন। নিজের মেধা এবং কাজের অভিজ্ঞতা দিয়ে কীর্তনা এখন তামিলনাড়ুুর প্রশাসনিক স্তরে বড় ভূমিকা নিতে প্রস্তুত।

সূত্র: এই সময়

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নরেন্দ্র মোদির সভাস্থলের কাছে বিস্ফোরক উদ্ধার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন