বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘শিক্ষা এমন এক সম্পদ, যা কেউ চুরি করতে পারে না। শেখার কোনো বয়স নেই। তিনি তাঁর পরিবারের শিক্ষার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, তাঁর দাদা একজন কৃষিজীবী মানুষ হয়েও ১৯২৪ সালে তাঁর ছেলেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন। তখন সিরাজগঞ্জে কলেজ ছিল না। ম্যাট্রিক পাস করে বাইরে গিয়ে পড়তে হয়েছে। তখন একজন কৃষিজীবী মানুষও স্বপ্ন দেখতেন সন্তানকে শিক্ষিত করার, ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি করার।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশটা শুধু আমাদের নয়, আগামী প্রজন্মের। আমরা একসময় চলে যাব। আমি চাই, সিরাজগঞ্জকে এমন একটি জায়গায় রেখে যেতে, যেটা নিয়ে তোমরা গর্ব করতে পারো।’
শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি জেলা প্রশাসককে বলে দিয়েছি, প্রতিটি স্কুলে প্রতিটি শ্রেণিতে সপ্তাহে এক দিন দুই ঘণ্টা করে খেলাধুলার ক্লাস রাখতে হবে। সেখানে ফুটবল, বাস্কেটবল থেকে শুরু করে গ্রামীণ খেলাধুলাও থাকবে। খেলাধুলা না করলে শরীর ভালো থাকে না, শরীর ভালো না থাকলে মনও ভালো থাকে না।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। মাদকের পরিবর্তে খেলাধুলা, নেশার পরিবর্তে স্বাস্থ্যরক্ষা—এ বিষয়ে তিনি খুবই সিরিয়াস।
অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও ছিলেন সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাজরান রউফ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন খান ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো: শাহাদাত হুসেইন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

