রাজবাড়ীতে সড়ক পরিবহন ও সেতুসহ ৪ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের অনুষ্ঠানের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি জেলায় কর্মরত বেশিরভাগ সংবাদকর্মী। অনুষ্ঠান চলাকালে রাজবাড়ী পৌরসভার সম্মেলন কক্ষের বাইরে বসেই চরম বিড়ম্বনার মধ্যে সময় কাটাতে হয়েছে তাদের। এ নিয়ে জেলাজুড়ে সংবাদকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ রাজবাড়ী সার্কেলের যৌথ আয়োজনে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ ও সড়ক দুর্ঘটনারোধে গণসচেতনতামূলক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম। এতে সভাপতিত্ব করেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন।
মিলনায়তনে অল্পসংখ্যক সংবাদকর্মী ভেতরে ঢুকতে পারলেও দেশের প্রথম সারির ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকসহ বেশিরভাগই বাইরে অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। এটি সাংবাদিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
এটিএন নিউজের রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি মাসুদ রেজা শিশির ফেসবুকে লেখেন, ‘মন্ত্রী ভেতরে বক্তব্য দেন আর ভেতরে বসার জায়গা না পেয়ে বাইরে এভাবেই অপেক্ষা করে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।’
একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন এখন টিভির রাজবাড়ী প্রতিনিধি নেহাল আহমেদ। সাংবাদিকদের বাইরে বসে থাকার ছবি দিয়ে তিনি ফেসবুকে লেখেন, ‘দৃশ্যটা আমার কাছে খুবই কষ্টকর। সহকর্মী ভাইদের নিমন্ত্রণ করে এভাবে বাইরে বসিয়ে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাওয়া উচিত।’
ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ আয়োজকদের ব্যর্থতা। অনুষ্ঠানের ব্যাপকতা বুঝে সেই অনুযায়ী ভেন্যু নির্ধারণ করা উচিত ছিল। সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
পড়ুন : ভৈরবে মাদকবিরোধী অভিযানে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার, ২ জনের কারাদণ্ড


