পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) সদস্য ফরিদুল ইসলাম। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়নের সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফরিদুল ইসলাম নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানালেও তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে হামলাকারীরা সেখান থেকে চলে যায়।
পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আহত অবস্থায় ফরিদুল ইসলাম পুলিশের গাড়ির কাছে গেলে অন্য সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
দুর্ঘটনায় নিহতের খবর পেয়ে দেবীগঞ্জ থানায় কর্মরত তিনজন ডিএসবি সদস্য ঘটনাস্থলে যান। তাদের মধ্যে দুজন মরদেহের কাছে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করলেও ফরিদুল ইসলাম ট্রাকটি যেখানে আটকে রাখা হয়েছিল, সেখানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন।
অবরোধ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা ট্রাকটি ভাংচুর করে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।পরে আরেকটি ট্রাকে ভাঙচুরের চেষ্টা করলে ফরিদুল ইসলাম দূর থেকে ছবি তোলেন এবং থানার ডিউটি অফিসারকে ফোনে পরিস্থিতি জানান। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য সন্তোষ রায়ের ভাইয়ের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন যুবক তার ওপর হামলা চালায়।
দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. স্বপূর্ণ সাহা বলেন, “রাত ১০টা ২০ মিনিটে ফরিদুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাথাতেও আঘাত পেয়েছেন। তাকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য ফরিদুল ইসলাম কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে বলেন, দেবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক।
পড়ুন : ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট নিয়ে মানহানির আশঙ্কা, গাংনী থানায় সাধারণ ডায়েরি


