লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা কার্যালয় নির্মাণের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, উত্তর জয়পুর ও চরশাহী ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক বাসিন্দা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুনুর রশিদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফুয়াদ হোসেন, সাংবাদিক মোহাম্মদ হাসান, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন মানিক এবং ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, উপজেলা পরিষদের কার্যালয় চন্দ্রগঞ্জ ও হাজিরপাড়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপন করা হলে সাধারণ মানুষ সহজেই স্কুল-কলেজ, ব্যাংক এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবার সুযোগ নিতে পারবেন। এছাড়া ওই এলাকায় প্রায় ১১ একর সরকারি খাস জমি থাকায় নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। তাই উপজেলা কার্যালয়ের স্থান পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান তারা।
জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২ জুন লক্ষ্মীপুর সদর থানাকে বিভক্ত করে ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা গঠন করা হয়। ইউনিয়নগুলো হলো, বশিকপুর, দত্তপাড়া, উত্তর জয়পুর, চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, চরশাহী, দিঘলী, মান্দারী ও কুশাখালী। চলতি বছরের ৭ মে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ১৯ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চরচামিতা ও বটতলি মৌজাকে উপজেলার সদর দপ্তর (হেডকোয়ার্টার) উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ করে।


