বিজ্ঞাপন

ডিবির যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়া হলো

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। তাকে গোয়েন্দা-দক্ষিণ ও এডমিন থেকে সরিয়ে প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই বদলি করা হয়।

আদেশে বলা হয়, জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলামকে (এডমিন অ্যান্ড গোয়েন্দা-দক্ষিণ) ডিএমপির প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগে পদায়ন করা হলো। এ নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দলটির প্রভাবশালী মন্ত্রী, এমপি ও বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনীতিবিদদের গ্রেপ্তারে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। একইসঙ্গে, দীর্ঘদিনের চাপ ও সংকটে ভেঙে পড়া পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠনে কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেন নাসিরুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সেই কঠিন সময়ে বাহিনীর মনোবল ফিরিয়ে আনতে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য নাশকতা ও নির্বাচন বানচালের নানা আশঙ্কার মধ্যেও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন নাসিরুল ইসলাম।

বিশেষ করে, নির্বাচনের ঠিক আগে জামায়াত আমিরের কথিত এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বঙ্গভবনের কর্মকর্তা মোহাম্মদ সরোয়ারকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

তখন দাবি উঠেছিল, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশেষ কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে ডিএমপির একজন সিনিয়র কর্মকর্তার সঙ্গে নাসিরুল ইসলামসহ ডিবির তিন যুগ্ম কমিশনারের তীব্র বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি তখন পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। পরে এই তিন কর্মকর্তাকে ধীরে ধীরে কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছিল বলেও একাধিক সূত্র দাবি করেছে।

ডিবির দায়িত্ব পালনকালে নাসিরুল ইসলাম ও তার টিম ঢাকায় সংঘটিত অনেক ক্লুলেস ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন। চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড, পেনগানের রহস্য উদঘাটন ও অপহরণসহ বিভিন্ন জটিল মামলার তদন্তে তার নেতৃত্বাধীন টিমের সাফল্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভেতরেও প্রশংসিত হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলো ১৭০ বাংলাদেশি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন