মনের পশু কোরবানি দিতে ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী পশু কোরবানি হয়। ধর্মীয় এই বিশ্বাস করে চলে আচ্ছে বহু বছর, নামজ শেষে পশু কোরবানি করে ধর্মীয় আচার মেনে মালয়েশিয়ায় সকাল ৮.০০ টায় (২৭ মে) ঈদুল আজহার প্রথম নামাজ শুরু হয় কুয়ালালামপুর হাংতুয়া মসজিদে। শহর কেন্দ্রী হওয়া এখানে হাজার হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি স্থানীয় নাগরিকদের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করেন। এখানে স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি পৃথিবীর অনেক দেশের প্রবাসী পুরুষ নারী নামাজ আদায় শেষে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন কোলাকুলির মধ্যে দিয়ে।
মালয়েশিয়ার রাজা ও প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মসজিদে সকাল ৮.০০ টায় ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসলিমদের সাথে।
ঈদের মধ্যে অনেকে একদিনের ছুটি পেলেও অনেকে শুধু মাত্র নামাজ পড়ার জন্য ছুটি পেয়েছেন, এমন প্রবাসীর সংখ্যা কম নয়। নামাজ আদায় করে কাজে ফিরতে হয়েছে তাদের।
মালয়েশিয়ায় সাধারণ প্রবাসী সহ প্রায় ১৫ লাখ বাংলাদেশির বসবাস, স্থানীয় নারী বিবাহ করে অনেকে বসবাস করছেন স্থায়ী ভাবে তাই এবার কোরবানি দিয়েছেন হাজার হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি। মালয়েশিয়ার স্থানীয় রীতি অনুযায়ী পশু মাংস মসজিদে থেকে বন্টন করা হয়, তাই অনেক প্রবাসী কোরবানির মাংস সংগ্রহ করার জন্য মসজিদে যান। বরাবরে মত প্রবাসে ঈদ মানে স্বজন ছাড়া চোখের কনে, মনের মধ্যে কষ্টের প্রতিছবি ফুটে ওঠে, এই কষ্ট হাজার চেষ্টা করেও লুকিয়ে রাখতে ব্যার্থ হয় প্রবাসীরা।
তবুও ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে উৎসব, তাই পরিচিত বন্ধুদের সাথে মালয়েশিয়ার বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেনেন প্রবাসীরা। একটাই আশা ভালো থাকবে দেশ ভালো থাকবে পরিবার।


