ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় হবে বিশ্বমানের এবং এখানে কেবল মেধাবীরাই স্থান পাবে। শিক্ষক বা কর্মচারী নিয়োগে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি থাকবে না, শুধুমাত্র যোগ্যরাই চাকরি পাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কৃষিজমি বেশি নষ্ট করা হবে না। যতটুকু জমি প্রয়োজন, শুধু ততটুকুই ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন ওপরের দিকে সম্প্রসারণ করা হবে।
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সাংবাদিকতা অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পেশা। এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হননি। সাগর-রুনি হত্যা মামলার রহস্য আজও উদঘাটন হয়নি।
সাংবাদিকতাকে কখনো ছোট করে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সম্পাদক মানিক মিয়া মন্ত্রী না হয়েও মন্ত্রী তৈরি করেছেন। সাংবাদিকদের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে বিশাল ভূমিকা রয়েছে। তবে দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই অভিযুক্ত বা বিপরীত পক্ষের বক্তব্য নেওয়া উচিত। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য প্রচুর পড়াশোনারও আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের অভাব রয়েছে বলেই অনেকেই ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী ন্যায্য বেতন পান না। বিভক্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে নতুন একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশ ও মানুষের পক্ষে কাজ করতে হবে।
এ সময় তিনি সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমকে যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন করা হবে। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে সহায়ক ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল লতিফ সহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


