বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাটে আওয়ামী লীগের ১৪ নেতাকর্মী কারাগারে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক মামলার আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ১৪ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট আমলি আদালতে (সদর) হাজির হয়ে তারা জামিন আবেদন করলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল তা নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

কারাগারে পাঠানো ১৪ নেতাকর্মী হলেন- জয়পুরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ক্ষেতলাল উপজেলার ভাসিলা গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে রতন সরদার, ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মেহেদী আশিক রাজু, শহরের মন্ডলপাড়ার মৃত হাবিবুর রহমান মন্ডলের ছেলে মাহবুব আলম মিলন, পাঁচবিবি পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র নুর হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুনিরুল শহিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য আরাফাত হোসেন চৌধুরী নিশাত, সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আব্দুস সোবহান মন্ডলের ছেলে আবু সাঈদ মন্ডল, পাঁচবিবি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস কে আব্দুল হক, পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক মিনু, জেলার ভাদসা ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান সারোয়ার হোসেন স্বাধীন, পুরানাপৈল ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম সৈকত, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নির্বাহী সদস্য নাসির উদ্দীন এবং সদর উপজেলার কান্দি গ্রামের মৃত নিয়ামত আলী সাখিদারের ছেলে ইউপি সদস্য আলী সাখিদার পিন্টু।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন মামলার তালিকাভুক্ত আসামি। দীর্ঘদিন ধরে তারা আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবারে তারা একসঙ্গে আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করেন। তবে দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক মিলন চন্দ্র পাল তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে আদালতের নির্দেশে কড়া পুলিশি পাহারায় দ্রুত তাদের জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শাহানুর রহমান শাহীন বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর গুরুত্ব বিবেচনা বিবেচনায় বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

পড়ুন- বিদ্যুতের দাম: গ্রাহক ও পাইকারি পর্যায়ে কত বাড়ল?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন