বিজ্ঞাপন

রাজশাহীতে খেয়াঘাটের স্থায়ী ইজারা বাতিলের দাবিতে চরবাসীর মানববন্ধন

রাজশাহী নগরীর শ্রীরামপুর টি-বাঁধ এলাকায় পবা উপজেলার চর মাজারদিয়াড় (আমিরপুর) খেয়াঘাটের ইজারা স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর শ্রীরামপুর নদীর ধারে চর মাজারদিয়াড় এলাকাবাসী এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বলেন, চর মাজারদিয়ায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য অনেক কষ্টে নদী পার করে রাজশাহী শহরে এনে বিক্রি করতে হয়। কিন্তু ঘাটে ইজারার কোনো তালিকা (চার্ট) প্রদর্শন করা হয় না। উল্টো ইজারাদার কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অমানবিক ও অযৌক্তিকভাবে অতিরিক্ত টোল আদায় করে থাকেন। এর প্রতিবাদ করলে অনেক সময় সাধারণ মানুষকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হতে হয়।

বক্তারা আরও বলেন, ভৌগোলিক কারণে এই এলাকার অধিকাংশ জমি পদ্মার তীরবর্তী হওয়ায় প্রতিবছর আবাদযোগ্য জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত আবাদি জমি হ্রাস পাওয়ায় কৃষিনির্ভর এই সীমিত আয়ের মানুষের জীবিকা নির্বাহ অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। কৃষিপণ্য পরিবহন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী আনা-নেওয়া ছাড়া এই ঘাট দিয়ে অন্য কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় না।

রাজশাহীর পবা উপজেলার ৪নং হরিপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চর মাজারদিয়ারের জনসংখ্যা প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার উল্লেখ করে মানববন্ধনে জানানো হয়, এখানকার প্রায় ৯৮ শতাংশ মানুষই কৃষিজীবী। এখানে কোনো গরুর করিডোর নেই বা সীমান্ত পারাপারেরও কোনো পথ নেই। তাই খেটেখাওয়া দিনমজুর মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা বিশেষ বিবেচনায় রেখে মাজারদিয়াড় (আমিরপুর) খেয়াঘাটের ইজারা স্থায়ীভাবে বাতিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী পায়ে হেঁটে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন চর মাজারদিয়াড় ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির, জেলা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট সেলিম রেজাসহ স্থানীয় সাধারণ জনগণ।

পড়ুন:নেত্রকোনায় বিএনপি নেতার হুমকিতে এলাকাছাড়া পুলিশের তথ্যদাতা

দেখুন:ছোঁয়ার ম্যাডেস্ট ফ্যান কী করেছে ছোঁয়ার জন্য? | তারায় তারায় | তাবাসসুম ছোঁয়া

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন