কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে মোছাঃ জান্নাতুল খাতুন নামে ২য় শ্রেনীর এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে।
রবিবার ১৪ জুন দুপুরে নাজিমখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীর ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছিল। হঠাৎ সচল থাকা সিলিং ফ্যানটি ওপর থেকে সরাসরি জান্নাতুলের মাথার ওপর ছিঁড়ে পড়ে। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং সে রক্তাক্ত জখম হয়। ঘটনার পরপরই শ্রেণিকক্ষে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।ওই সময় অনান্য শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।আহত জান্নাতুলকে শিক্ষকরা দ্রুত কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে এই ঘটনার পর বিদ্যালয়জুড়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবক মোঃ সোহেল রানা বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো ও আসবাবপত্র নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না করায় এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। ফ্যানটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল বলেও অনেকে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ‘আতাউর রহমান’ বলেন, এটি একটি অত্যন্ত দুঃখজনক দুর্ঘটনা। পুরাতন একটি ফ্যান বিয়ারিং জ্যাম হয়ে লক ভেঙে হঠাৎ ক্লাস রুমে পড়ে যায়, কাছাকাছি থাকা এক শিশুর মাথায় পাখা লেগে কেটে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীর চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি এবং সে এখন খুবই ভাল এবং সুস্থ আছেন। ২/৩ দিনের মধ্যে শিশুটি বাড়িতে ফিরবেন।
তিনি আরো বলেন রাতেই পুরাতন ফ্যান সরিয়ে ৪ টি নতুন ফ্যান স্হাপন করি, সেই সাথে বিদ্যালয়ের অন্য সব ফ্যান ও বৈদ্যুতিক সংযোগগুলো দ্রুত সংস্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
পড়ুন : ময়মনসিংহে হাম রোগে আক্রান্ত শিশুদের মাঝে মিনি হাইজিন পার্সেল বিতরণ


