বিজ্ঞাপন

মাগুরার বেরইল পলিতায় চেয়ারম্যান পদে লড়বেন রেমিটেন্স যোদ্ধা পলাশ

মাগুরার ১১ নং বেরইল পলিতা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান তরুণ সমাজসেবক ও রেমিটেন্স যোদ্ধা মো. পলাশ মোল্যার জনসেবা কৃতিত্বে এলাকাবাসী মুগ্ধ। পলাশ মোল্যার সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডে এলাকার মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। পলাশ মোল্যার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও গরিব দুঃখী মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। 

বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী জানান, বেরইল পলিতা ইউনিয়নের অসহায় ও গরিব লোকেদের সহযোগিতা করা। তরুণদেরকে খেলাধুলায় উৎসাহ দেওয়া, বিভিন্ন সময়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করা। শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলাধুলা সামগ্রী কিনে দেওয়া, অসহায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ দেওয়া, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে টিউবওয়েল কিনে দেওয়া সহ বিভিন্ন রকম উন্নয়নমূলক কাজের জন্য জনপ্রিয় হয়েছেন পলাশ মোল্যা।

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য ও খেলাধুলা সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষকে আর্থিক সহযোগিতাও করছেন তিনি। দেশের চলমান উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে ইউনিয়নের প্রতিটি স্তরে কাজ করছেন। মানুষের মনের চাওয়া পাওয়াকে প্রাধান্য দিয়েই আগামীতে উন্নয়নের ধারায় একটি আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থেকেও যে এলাকার মানুষের পাশে থাকা যায়। জনগণের জন্য কাজ করা যায়। পলাশ মোল্যা সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যার কারণে এলাকায় তার ব্যাপক সাড়া রয়েছে।

উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন। তাই আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ। তরুণ এই সমাজসেবক মো. পলাশ মোল্যা বেরইল পলিতা ইউনিয়নের ডহর সিংড়া গ্রামের মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের পুত্র।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে মো. পলাশ মোল্যা জানান, তিনি জনগণের কল্যাণে সর্বদাই পাশে থেকে কাজ করতে চান। এলাকার গরিব মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চান তিনি।

এছাড়াও বেরইল পলিতা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ইউনিয়নে রুপান্তর করা জন্য সবাই মিলে একযোগে কাজ করা কথাও জানিয়েছেন তরুণ এই সমাজসেবক। জনগণের মনের আশা পুরন করতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

পড়ুন- রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পেপারবুক প্রস্তুত, শুনানি শুরু হতে পারে শিগগিরই

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন