২০২৫-২৬ অর্থ বছরে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার এন্ড রুবাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ পার্টনার এর আওতায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি একটি কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে পার্টনার কংগ্রেস প্রশিক্ষণ কর্মশালা দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারন উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার আল মামুন হাসান।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে শুরু করে দিন ব্যাপী কৃষি ও কৃষকদের নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনা মূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সময় প্রান্তিক কৃষক, সমবায় সমিতির প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিসহ ১শত জন প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহন করেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, ১৯২.৬৪ বর্গ কি: মি: এই উপজেলায় মোট লোকের বসবাস ২,১৭,৯৭৫ জন। যার মধ্যে ৪ হাজার ১শত ৭১জন কৃষি পরিবার। এখানে ১৩ হাজার ৩শত ৩৪ হেক্টর আবাদী জমি রয়েছে। এই উপজেলায় প্রধান ফসল গুলো হলো অম, পেয়াঁজ, রসুন, গম, ভূট্রা এবং পাট।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, চাষাবাদের সময় কৃষকদের সার ও কীটনাশক ব্যবহার বিধী মানতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোন রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে না। না জেনে, না বুঝে কোন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এদেশের বেশির ভাগ কৃষক মরণ ব্যাধী ক্যান্সার রোগে ভুগছে। অতিরিক্ত রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে ফসল ফলাতে গিয়ে নিজের জীবন ঝুকিতে পড়ছে কৃষক তা বুঝতে পারছে না।
প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি দপ্তরের পরামর্শ নিয়ে চাষাবাদ করতে হবে। সকল ওর্য়াড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারন অফিসারসহ কর্মকর্তা নিযুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে সরকার কৃষিতে অনেক ভর্তুকি দিয়ে থাকেন।
প্রশিক্ষণে বিবিধ নিয়মনীতী নিয়ে আলোচনা হলেও সব চেয়ে গুরুত্ব পেয়েছে জমিতে পানির ব্যবহার বিধী। ওই সময় ধান চাষে পানির ব্যবহারে নতুন চমক দিয়ে বলেন, ১ কেজি ধান উৎপাদন করতে প্রায় ২ হাজার থেকে ৪ হাজার লিটার পানির প্রয়োজন হয়। রাজশাহী অঞ্চলে পানির স্বল্পতা রয়েছে। কৃষকদের চাষাবাদের উপযোগী জমি দেখে বুঝে চাষাবাদ করার পরামর্শ দেন প্রধান অতিথি।


